মহানগরীর অন্যতম প্রাণকেন্দ্র নিউমার্কেট এলাকার (New Market Area) মির্জা গালিব স্ট্রিটের ঘিঞ্জি এলাকায় যেভাবে একের পর এক হোটেল চালানো হচ্ছিল, তা দেখে হতচকিত খোদ দমকল প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী (Kaushik Chowdhury)। বুধবার অগ্নিদগ্ধ হোটেলে পৌঁছে সেখানকার অন্দরসজ্জা দেখে রীতিমতো আঁতকে উঠেছেন তিনি। প্রবেশ-প্রস্থানের জন্য একটাই রাস্তা। যা অত্যন্ত সরু। হোটেলে ফায়ার অ্যালার্ম (Fire Alarm) নেই। জরুরি পরিস্থিতিতে বেরিয়ে আসার মতো প্যাসেজ নেই। এরকম একটা জায়গায় হোটেল তৈরি করার অনুমতি মিলল কী ভাবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কৌশিক।
নিউমার্কেটের হোটেল শিখা ইনে (Sikha Inn) মঙ্গলবার রাত দুটো থেকে আড়াইটা নাগাদ শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগার ঘটনাটি ঘটে। এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। এদিন সকালে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান দমকল প্রতিমন্ত্রী। যে বিল্ডিংয়ে হোটেলটি গড়ে উঠেছিল তার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।পাঁচতলা বাড়িতে ওঠার জন্য রয়েছে সরু, বেঁকানো লোহার সিঁড়ি। সামনে মাত্র দেড় ফুটের মতো প্যাসেজ রয়েছে। এক ভবনের ছটা হোটেল! দমকল প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী বলেন, 'এমন বাড়িতে কী ভাবে হোটেলগুলিকে ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া হল, তা খতিয়ে দেখা দরকার। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে। এই ধরনের হোটেলের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।' এই ঘটনার জেরে কলকাতার হোটেলগুলির অগ্নিনিরোধক ব্যবস্থা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
















