রঞ্জি ট্রফিতে কল্যাণীতে বাংলার দারুণ ঘুরে দাঁড়াল। দিল্লির ২৪০ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিনের শেষে বাংলা ৩ উইকেটে ৩০৪। চতুর্থ উইকেটে সুদীপ-অভিষেক ১৯৯ রান যোগ করেছেন অবিচ্ছিন্ন থেকে। সুদীপ ব্যাট করছেন ১২২ রানে। অভিষেকের সংগ্রহ ১১৪।

 

 চতুর্থ উইকেটে সুদীপ-অভিষেক ১৯৯ রান যোগ করেছেন অবিচ্ছিন্ন থেকে। সুদীপ ব্যাট করছেন ১২২ রানে। অভিষেকের সংগ্রহ ১১৪।

 

এদিন শতরানের পর মাঠের মধ্যেই বসে কেঁদে ফেলেন অভিষেক। মাত্র চার মাস আগে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস-সহ একাধিক অভিযোগ ওঠে অভিষেকের বিরুদ্ধে। হাই কোর্টের নির্দেশে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ৩৬ দিন জেলে কাটানোর পর অবশেষে ১৭ সেপ্টেম্বর তিনি জামিন পান। এর মধ্যে বাংলার রনজি ট্রফির প্রাথমিক দল ঘোষণা করা হলে সেখানে জায়গা হয়নি অভিষেকের। তাঁর ক্রিকেট ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠে যায়। যদিও জামিনের পর তাঁকে দলে ফেরানো হয়। সেঞ্চুরি করেই যেন শাপ মুক্তি হল অভিষেকের ।

 

দিনের শেষে সাংবাদিকদের সামনে ভারত বাংলা দলের ক্রিকেটার কিছু আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, "

সপ্তাহে একদিন করে ১০ মিনিটের জন্য বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করতে দিত। গারদের এপার-ওপার থাকতাম। পরিবারের ওপর দিয়েও ঝড় গিয়েছে।। আমার চেয়েও বেশি বাড়ির লড়াই টা আর ও কঠিন ছিল। দেখা করার সময় আমাকে শক্ত থাকতে হতো। তাও কয়েকবার কেঁদে ফেলেছি। রাতে ঘুমনোর আগে রোজ চোখে জল আসত।

 

কঠিন সময়ের কথা বলতে গিয়ে অভিষেক উল্লেখ করেন সেই সময় তারা কার পাশে ছিলেন, তাঁর কথায়, 

“ওই সময়টা অনেকেই পাশে ছিল। ঈশান কিষান, অভিষেক শর্মারা ফোন করেছে, সাহায্য করতে চেয়েছে। কোচরাও সকলে আমাকে বেশি সময় ধরে অনুশীলন করিয়েছেন। ওই অন্ধকার সময়টা আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। তবে আমি নিজেকে শক্ত রাখার চেষ্টা করেছি। সেঞ্চুরি করার পর কাঁদতে চাইনি, তবে আবেগের বশে চোখে জল এসে গিয়েছিল।” 

 

দিল্লির হয়ে তিনটি উইকেট নেন দিভিজ মেহরা, নবদীপ সাইনি ও আয়ুষ বাদোনি।