শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে এশিয়া কাপ জিতলেও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রধান নাকভির হাত থেকে ট্রফি নেননি হরমনপ্রীত কৌররা। গত বছর সূর্যকুমার যাদবদের মতোই একই পথে হাঁটেন হরমনপ্রীত-স্মৃতিরা।  কিন্তু ভারতীয় দল যে ট্রফি নিতে আসবে না তা আগাম জানতেন মহসিন নাকভি। এর জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে বিকল্প প্রস্তাবও দেওয়া হয়।  কিন্তু নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন নাকভি। এতে তাঁর অপমান ও বিড়ম্বনা দুইই বৃদ্ধি পেল। 

দেশে ফেরার পর বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া বলছেন, “আমরা আবেদন করেছিলাম যেন এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের ডেপুটি চেয়ারম্যান বা প্রেসিডেন্ট যেন ট্রফি তুলে দেন। কিন্তু সেই অনুরোধ রাখা হয়নি। তাই ট্রফি না নেওয়া ছাড়া আমাদের আর কোনও উপায় ছিল না। পহেলগাঁওয়ে হামলায় নিহতদের শ্রদ্ধা জানাতে আমরা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানেও অংশ নিইনি।” এখানেই থেমে না থেকে সাইকিয়া আরও বলেছেন, শুধু  মহিলাদের এশিয়া কাপের ট্রফিই নয়, দেড় বছর ধরে আমরা পুরুষদের এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়নের ট্রফি পাইনি। আমি আশা করছি  খুব দ্রুতই দুটো ট্রফিই দেশে আসবে।  পহেলগাঁও পরবর্তী সময় থেকেই খেলার মাঠে  ভারত ও পাকিস্তানের তিক্ততা বেড়েছে। বয়কট নীতি অব্যাহত রেখেছে ভারত। 

টুর্নামেন্ট-পরবর্তী পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের জন্য ভারতীয় খেলোয়াড়রা মাঠে আসেননি। এসিসি প্রধান তথা পাক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মহসিন নকভির জন্য অপমানের এখানেই শেষ ছিল না।  স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকরা তাঁকে 'ট্রফি চোর' বলে চিৎকার করতে থাকে-যার অর্থ হল এমন ব্যক্তি যিনি ট্রফি চুরি করেন।
মাঠে ক্রিকেটাররা নাকভির সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখলেও মাঠের  বাইরে ২ দেশের বোর্ড কর্তারা কিন্তু কাছাকাছি থাকলেন।  কিন্তু খেলার শেষ দিকে দেখা গেল, দেবজিৎ সাইকিয়া ও রাজীব শুক্লার ঠিক পিছনে বসে রয়েছেন তিনি। খেলা শেষে সাইকিয়ার পাশে দাঁড়িয়ে কথা বলতে দেখা যায় নাকভিকে।