বিতর্ক যেন কিছুতেই কিছু ছাড়ছে না বঙ্গ ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থাকে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর সিএবির বার্ষিক সাধারণ সভা রয়েছে ।এই সভায় তিনটি পদে ভোটাভুটি হওয়ার কথা। সচিব, যুগ্ম সচিব এবং এপেক্স কাউন্সিলের একটি পদ খালি রয়েছে ইতিমধ্যেই নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে জেলা শাসকদের চিঠি গোটা বিষয়টি জটিল করে তুলল।
সচিব, যুগ্মসচিব ও অ্যাপেক্স কাউন্সিলের একটি শূন্যস্থান। ইতিমধ্যেই মনোনয়ন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন ইলেক্টোরাল অফিসার সুশান্তরঞ্জন উপাধ্যায়। ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন।
কিন্তু এরই মধ্যে পরিস্থিতি জটিল করেছে জেলাশাসকদের চিঠি সোমবার সন্ধ্যায় পর ছয় জেলার জেলাশাসক সিএবিকে চিঠি পাঠিয়ে জানিয়েছেন লোধা কমিশনের সুপারিশ মেনেই এজিএম করতে অর্থাৎ ৭০ বছর ঊর্ধ্ব এবং ক্রিকেট প্রশাসনে ৯ বছর পেরিয়ে যাওয়া ব্যক্তিরা বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিতে পারবেন না ।এর ফলে নতুন করে তৈরি হয়েছে জটিলতা। এর ফলে বার্ষিক সাধারণ সভা নির্দিষ্ট দিনের হবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল। রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই সিএবিতে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একের পর এক বিতর্কে জেরবার সিএবি। এরই মধ্যে জেলা শাসকদের চিঠি বিতর্কে নয় ইন্ধন যোগালো। আপাতত ছয়জন ডিএম চিঠি পাঠালো পরে সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে।
সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট দিনেই বার্ষিক সাধারণ সভা হবে প্রয়োজন হলে ভোটাভুটি পরে হতে পারে বিশেষ সাধারণ সভা তার জন্য ডাকা হতে পারে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নিয়ম এবং রাজ্য ক্রিকেট সংস্থাগুলো নিয়ম কিছুটা আলাদা। এখানে জেলা থেকে প্রতিনিধিত্ব করা হয় প্রাক্তন ক্রিকেটারদের প্রতিনিধিত্ব থাকে। ফলে সব ক্ষেত্রে ৭০ বছর বয়স সীমা মানা হয় না। আমরা গোটা বিষয়টি নিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলব আইনি পরামর্শ নেব।
ফাঁকা পথগুলিতে নির্বাচন না হলে আইনি জটিলতা হতে পারে সংবিধানে বলা রয়েছে, পদাধিকারীদের নির্বাচন পদ শূন্য হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে এবং অ্যাপেক্স কাউন্সিলের পদে ৪৫ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। যুগ্মসচিব ও অ্যাপেক্স সদস্যের ইস্তফার পর শূন্যস্থানের সেই মেয়াদকাল পেরিয়ে যাচ্ছে।
রাজ্যে পালা বদলের পরে বিরোধীরা অনেক কিছু সক্রিয় হয়েছে জানা গিয়েছে, শাসক দলের চারজন বিধায়ক সিএবির এজিএম-এ প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন এর আগেও জেলা শাসকরা চিঠি পাঠিয়েছেন যার জেরে ভোটাভুটি হয়নি ।মাসখানেক আগে অনুষ্ঠিত সিএবি-র জরুরি সাধারণ সভাতেও (EGM) ঠিক এই এক ও অভিন্ন ইস্যুতে যুগ্ম-সচিব পদের ভোট মুলতুবি রেখে দিতে বাধ্য হয়েছিল কর্তৃপক্ষ। সেবারও জেলাশাসকদের একপ্রস্থ চিঠির ধাক্কাতেই থমকে যায় নির্বাচনী কাজ, যা আবারও এজিএম-এর মুখে একই প্রশাসনিক জটিলতা ফিরিয়ে আনল।
এবারের চিঠিও শাসক বিরোধী উভয়পক্ষকে কিছুটা ধোঁয়াশার মধ্যে ফেলেছে।
















