রঞ্জি ট্রফিতে জয় দিয়েই যাত্রা শুরু করল বাংলা। কল্যাণীতে দিল্লির বিরুদ্ধে সরাসরি জয় পেল বঙ্গ ব্রিগেড। ৯ উইকেটে হারিয়ে দিল লক্ষ্মীরতন শুক্লার দল।
তৃতীয় দিনেই তিন পয়েন্ট নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল বাংলার। শেষ দিনের ফটো ফিনিশ করল বাংলা।
দিনের শুরুতে বল হাতে মহম্মদ শামি, মুকেশ কুমার, আকাশদীপ, আমির গনিরা দাপট দেখালেন। দীপ্ত প্রামাণিক দিল্লীর বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ইনিংস শেষ করেছেন ৩৩-১১-৭২-৩ নিয়ে। তিনটি উইকেটই ম্যাচের পরিপ্রেক্ষিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দ্বিতীয় ইনিংসে সনৎ সাংওয়ান সেট হয়ে গিয়েছিলেন। আয়ুষ বাদনি ৮৫ রানে ব্যাট করছিলেন, ওখানে অ্যাঙ্গেল পাল্টে ওভার দ্য উইকেট এসে এজ না নিলে খেলা ড্র-এর দিকে গড়াতো। হৃত্বিক শকীনের উইকেটটা স্ট্যান্ডআউট। দ্বিতীয় ইনিংসে দিল্লি ভাল ব্যাট করলেও ২৭৭ রানের বেশি করতে পারেনি। ৩ উইকেট নেন প্রদীপ্ত। ২ করে উইকেট নেন আমির ও সুমন্ত। তিন পেসার শামি, মুকেশ ও আকাশদীপ ১ করে উইকেট নেন।ফলে জয়ের জন্য বাংলার প্রয়োজন ছিল ৮৯ রান। ১ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় বাংলা। কিন্তু ১০ উইকেটে না জেতায় বোনাস পয়েন্ট পাওয়া হল না বাংলার। সরাসরি ১০ উইকেটে জিতলে ৭ পয়েন্ট পাওয়া যায়। অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ ও অঙ্কুর পালের ওপেনিং জুটি সেই পরীক্ষায় সফল হল না। অযথা চালাতে গিয়ে ৩৮ রানে আউট হন অঙ্কুর।ইশ্বরণ অপরাজিত থাকেন ৩৪ রানে।
ম্যাচের প্রথম দিনে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলা। সেই সিদ্ধান্তের যথার্থতা প্রমাণ করেন বোলাররা। দিল্লির প্রথম ইনিংস শেষ হয় ২৪০ রানে।রঞ্জি ট্রফির তৃতীয় দিনে বাংলা ইনিংস শেষ হয় ৪২৯ রানে। প্রথম ইনিংসের ব্যবধানে ১৮৯ রানে এগিয়ে ছিল বাংলা।১৩৩ রান করেন সহঅধিনায়ক দুদীপ কুমার ঘরামি। অন্যদিকে ধর্ষণের মামলায় জামিনে ছাড়া পাওয়া অভিষেক পোড়েল ১৪৯ রানে আউট হন। ঘরের মাঠে শুরুটা ভালোভাবে করল বাংলা। এবার ধারাবাহিকতা ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ বাংলা দলের সামনে।















