রাজ্যে পালাবদলের পরেও বদলালো না খেলার মাঠে রাজনৈতিক নেতা বা জনপ্রতিনিধিদের আধিপত্য।
"খেলার মাঠে রাজনীতিকরণ চলবে না।" কয়েক মাস আগেই নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে এক অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে ডাক দিয়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ-র গলাতেও একই সুর শোনা যায় মাঝেমধ্যে। কিন্তু কথায় আর কাজের মধ্যে অনেক ফারাক তা আরও একবার প্রমাণিত হল বৃহস্পতিবারে সিএবির বার্ষিক সাধারণ সভাতে।
বিগত কয়েকদিন ধরেই এই সভা ঘিরে ময়দানে পারদ ঊর্ধ্বমুখী ছিল ।এই সভায় আলোচনার বিষয় নিয়ে নয় বরং এই সভায় বর্তমানে শাসক দলের কতজন প্রতিনিধিত্ব করেন তা নিয়ে চর্চা ছিল তুমুল। সংস্থার মাথায় সরাসরি খেলার ময়দানে সরাসরি অংশ মোহ থেকে মুক্ত হলেন না বিজেপি বিধায়করা ।
সিএবির বার্ষিক সাধারণ সভাতে বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে দেখা গেল বিজেপির নেতা, বিধায়কদের। বৃহস্পতিবারে সিএবি AGM এ বিভিন্ন ক্লাব থেকে প্রতিনিধিত্ব করলেন রীতেশ তিওয়ারি, সজল ঘোষ, সৌরভ শিকদার। এর আগে সিএবির সভাতে তৃণমূল নেতা, পুর প্রতিনিধি, বিধায়করা আসতেন।
সিএবির আগের AGM এ যারা আসতেন: মনোহরপুকুর মিলন সমিতি: দেবাশিস কুমার,বালিগঞ্জ ইউনাইটেড: সৌরভ বসু,বালক সংঘ: অসীম বসু (কাউন্সিলর) , উঃ ২৪ পরগণা জেলা স্পোর্টস: পার্থ ভৌমিক, মালদা জেলা: কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী , মেদিনীপুর জেলা: সুজয় হাজরা কলকাতা পুলিশ ক্লাব: শান্তনু সিনহা বিশ্বাস (নেতা নন। কিন্তু ভূরি ভূরি অভিযোগে যিনি এখন জেলে)
বৃহস্পতিবার এজিএমে যারা এলেন: বেলগাছিয়া ইউনাইটেড: রীতেশ তিওয়ারি, বরানগর স্পোর্টিং ক্লাব: সজল ঘোষ, মনোহরপুকুর মিলন সমিতি: সৌরভ শিকদার, বালিগঞ্জ ইউনাইটেড: নেতা অনুপম ভট্টাচার্য।
কাশীপুর বেলগাছিয়া বিধায়ক রীতেশ তিওয়ারি বলেন, "আমি ছোট বেলাতে খেলেছি, ক্লাব ক্রিকেট খেলেছি ক্রিকেটের প্রতি আমার প্যাশন রয়েছে। এর আগে এই প্রশ্ন ওঠেনি যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইরা একের কোন এক সংস্থার মাথায় বসেছিলেন।"
সৌরভ শিকদার বলেন, " সিএবিতে নতুন হতে পারি কিন্তু খেলার মাঠের সাথে পরিচয় আছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, যে কোন ক্রীড়া পদে প্রাক্তন খেলোয়াড়দের আসতে। যাতে আরও ভালো চলে।"
















