পিছিয়ে গেল কলকাতা লিগের খেতাব নির্ণায়ক ম্যাচগুলি। বৃহস্পতিবার মোহনবাগান-মহমেডানসহ একাদিক ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে পিছিয়ে দেওয়া হল ম্যাচ। মোহনবাগান প্রথম থেকেই চ্যাম্পিয়নশিপের সব ম্যাচ একই দিনে একই সময়ে করার দাবি তুলেছিল। অবশেষে সবুজ মেরুনের দাবিতেই সিলমোহর দিল আইএফএ।
নতুন সূচি অনুযায়ী, মোহনবাগান-মহমেডান ম্যাচ হচ্ছে ১৯ সেপ্টেম্বর। বারাসত স্টেডিয়ামে দুপুর ৩টে থেকে শুরু ম্যাচ।শনিবার একই সময়ে ইস্টবেঙ্গল মাঠে খেলবে ইস্টবেঙ্গল ও কোল ইন্ডিয়া। ভবানীপুর ও ইউনাইটেড স্পোর্টসের ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল বারাসতে। সেটি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে ব্যারাকপুরে। অর্থাৎ ১৯ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টেয় একই সঙ্গে মাঠে নামবে ছয় দল।
মঙ্গলবার বারাসত স্টেডিয়ামে গিয়েছিলেন আইএফএ-র কর্তারা। পুলিশের থেকে অনুমতি আদায় করার চেষ্টা করেছিলেন। মঙ্গলবার রাতের দিকে ম্যাচের অনুমতি দিয়ে দেয় পুলিশ। গণেশ পুজোর কারণে ইস্টবেঙ্গল-মহমেডান ম্যাচ বারাসত থেকে কল্যাণীতে পাঠানো হলেও মোহনবাগানের ক্ষেত্রে সেই সমস্যা হচ্ছে না।
লিগ টেবলের মোহনবাগান ও মহমেডান উভয় দলই সংগ্রহ ৪ পয়েন্ট। দু’দলই একটি করে ম্যাচ জিতেছে এবং একটি করে ড্র করেছে। ইস্টবেঙ্গল দু’টি ম্যাচই ড্র করে পেয়েছে ২ পয়েন্ট। মোহনবাগান-মহমেডান ম্যাচ ড্র হলে দু’দলের পয়েন্ট হবে ৫। সেক্ষেত্রে ইস্টবেঙ্গলেরও সুযোগ থাকবে। কোল ইন্ডিয়াকে হারালে তাদেরও ৫ পয়েন্ট হবে। সেই ক্ষেত্রে গোলপার্থক্যই হয়ে উঠতে পারে বড় ফ্যাক্টর। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ থাকছে সব দলের সঙ্গেই। কলকাতা ফুটবল লিগের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ড রয়েছে ইস্টবেঙ্গলের দখলে। এখনও পর্যন্ত ৪১ বার এই প্রতিযোগিতার খেতাব জিতেছে তারা। গত কয়েক মরশুমের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবারও ট্রফি জয়ের লক্ষ্যে নেমেছিল লাল-হলুদ।
সম্প্রতি একটি পডকাস্টে মোহনবাগান নিয়ে সঞ্জীব গোয়েঙ্কা বলেছেন, আমার কাছে মোহনবাগানের সঙ্গে যুক্ত থাকা মানে শুধু একটি ক্লাবকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া নয়। এটা আমার নিজের শহরকে কিছু ফিরিয়ে দেওয়ার একটা মাধ্যম।আমি কীভাবে আমার শহরের মানুষ এবং মোহনবাগানের কোটি কোটি সমর্থককে তাঁদের এই বিশাল ঐতিহ্য নিয়ে আরও গর্বিত করে তুলতে পারি—সেটাই আমার লক্ষ্য।”
















