এজিএমের(AGM) দিন যত এগিয়ে আসছে ততই জটিলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে সিএবিতে(CAB)। প্রতিদিনই নিত্য নতুন বিতর্ক জড়াচ্ছে বঙ্গ ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর সিএবির বার্ষিক সাধারণ সভা(AGM)। সোমবারই জেলা শাসকদের চিঠি এসে পৌঁছায় সিএবিতে। মঙ্গলবার দুপুরে সিএবিতে আসে ময়দান থানার পুলিশ। ম্যাচের আগে ইডেনে পুলিশের পরিদর্শন নতুন কিছু নয়, কিন্তু এজিএমের আগে পুলিশের আগমন কিছুটা অবাক করা বিষয়।
সিএবির এজিএমে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য সব সদস্য ভোটার ও অনুমোদিত সংস্থাকে মনোনয়নপত্র বিলি করা হয়। ইলেক্টোরাল অফিসারের তত্ত্বাবধানে একটি বেসরকারি ক্যুরিয়র সংস্থা ডিটিডিসি মনোনয়নপত্র বিলি করার দায়িত্ব পালন করছে। কিন্ত প্রশ্ন উঠেছে এই মনোনয়ন প্রক্রিয়া বিলি নিয়ে। কয়েক দিন আগে ময়দান থানায় এই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগ করেন ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউটের এক সদস্য গৌতম দে। তিনি অভিযোগ করেন যে, মনোনয়নপত্র বিতরণ স্বচ্ছতার সঙ্গে হচ্ছে না।
পুলিশের পক্ষ থেকে সিএবির অফিসে একটি চিঠি দেওয়া হয়। খবর পেয়েই দ্রুত সিএবিতে আসেন কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাস। কোষাধ্যক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয় পুলিশের৷ সিএবি কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাসের কাছে বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর জানতে চায় পুলিশ। তাঁর কাছে যা যা জিনিস জানতে হয় কীভাবে এজিএমের মনোনয়নপত্র পাঠানো হয়? সঞ্জয় দাস জানিয়েছেন, সঠিক সময়ের মধ্যে পুলিশকে উত্তর দেওয়া হবে।
সচিব, যুগ্মসচিব ও অ্যাপেক্স কাউন্সিলের একটি শূন্যস্থান। ইতিমধ্যেই মনোনয়ন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন ইলেক্টোরাল অফিসার সুশান্তরঞ্জন উপাধ্যায়। ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন।
জেলাশাসকদের চিঠি সোমবার সন্ধ্যায় পর ছয় জেলার জেলাশাসক সিএবিকে চিঠি পাঠিয়ে জানিয়েছেন লোধা কমিশনের সুপারিশ মেনেই এজিএম করতে অর্থাৎ ৭০ বছর ঊর্ধ্ব এবং ক্রিকেট প্রশাসনে ৯ বছর পেরিয়ে যাওয়া ব্যক্তিরা বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিতে পারবেন না ।এর ফলে নতুন করে তৈরি হয়েছে জটিলতা। এর ফলে বার্ষিক সাধারণ সভা নির্দিষ্ট দিনের হবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
















