বারুইপুর কাণ্ডে সিপিএম নেতা লাহেক আলির বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর খারিজের আবেদনে হস্তক্ষেপ করলো না কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের নির্দেশ, অভিযুক্ত অন্তরবর্তী জামিনে রয়েছেন। তাই এখন কোনও অন্তরবর্তী নির্দেশ দেওয়া যাবে না।
৫ জুলাই বারুইপুরে গণধর্ষণের ঘটনার পর ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল নামে স্থানীয় এক যুবক গণপিটুনিতে মারা যান। ঘটনার সাত দিন পর, ১২ জুলাই রাতে লায়েককে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর নামে মোট চারটি মামলা দায়ের করে পুলিশ। মায়ের অসুস্থতার কারণে আট দিনের জন্য তাঁর অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করে কলকাতা হাই কোর্ট। তাঁর বিরুদ্ধে হওয়া এফআইআর খারিজের আবেদন করে মামলা করেন লাহেক।
লাহেকের আইনজীবি বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, "জামিন নয়, এফআইআর খারিজ চাইছি। এই তদন্ত চলা যায় না।" লাহেকের দাবি, ৪টে এফআইআর করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলার পরেই আমাকে টার্গেট করা হল। জামিনের আবেদনের সঙ্গে এফআইআর খারিজ সংযুক্ত নয়। নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে কোনও এফআইআর করা হয়নি লাহেক আলির বিরুদ্ধে।
বিচারপতি বলেন, "জামিন থাকলে এফআইআর খারিজের বিষয়ে আদালত কীভাবে হস্তক্ষেপ করবে। গ্রেফতারের পর এফআইআর খারিজ, সেখানে অন্তরবর্তী নির্দেশ কিভাবে দেওয়া যাবে।" রাজ্যের এএজি রাজদীপ মজুমদার বলেন, এই ঘটনায় তিনি কীভাবে ওতোপ্রতভাবে জড়িত তা একবার দেখুন। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের নির্দেশ দেন, অন্তরবর্তী জামিন থাকাকালীন অভিযুক্তর পক্ষে কোনও অন্তরবর্তী নির্দেশ দেওয়া সম্ভব নয়। এফআইআরের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন আছে। পুজোর ছুটির পর রাজ্য হলফনামা দেবে। পাল্টা ২ সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা দেবে আবেদনকারী।
সিপিএম নেতার বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ, তিনি ৫ জুলাইয়ের অশান্তির সময় ঘটনাস্থলেই উপস্থিত ছিলেন এবং জনতাকে আইন হাতে তুলে নিতে প্ররোচনা দেন। প্রথম আট দিন পুলিশি হেফাজতে ছিলেন লায়েক। পরে তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়।
















