কয়েক সপ্তাহ আগেই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিয়েছেন। কিন্ত অবসরের পর ফের একবার নীল সাদা জার্সিতে নামবেন লিও মেসি। শেষবারের জন্য দেশের জার্সিতে বল পায়ে মাঠে নামবেন আর্জেন্টাইন রাজপুত্র।
গত কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল, বিদায়ী একটি ম্যাচ খেলতে পারেন মেসি। জল্পনাই সত্যি হল। আগামী ৬ অক্টোবর বুয়েনস আইরেসে বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বর্ণাঢ্য ও গৌরবময় যাত্রার ইতি টানবেন আর্জেন্টাইন জাদুকর।পাশাপাশি জানানো হয়েছে, ২০২২-এ আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী দলের প্রত্যেক সদস্যকে সেই ম্যচে আমন্ত্রণ জানানো হবে। থাকবেন তাঁদের পরিবারও। যাঁরা আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করেন এবং ভালবাসেন, তাঁদের কাছে একটি অবিস্মরণীয় ম্যাচ হতে চলেছে বলে দাবি করা হয়েছে। ম্যাচের আয়োজনে আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশন।
এএফএ সভাপতি জানিয়েছেন, মেসির বিদায়কে স্মরণীয় করে রাখতে ২০২২-র বিশ্বজয়ী দলের সব সদস্যদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। আরও পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। পুরোটা এখনই প্রকাশ করা হবে না। বিশ্বকাপের পর ঘরের মাঠে তিনটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা।
আসন্ন পিফা আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে স্কালোনির দল মোট তিনটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। ৩০ সেপ্টেম্বর কর্দোবার মারিও কেম্পেস স্টেডিয়ামে বলিভিয়ার বিরুদ্ধে শুরু হবে তাদের অভিযান। এরপর ৩ অক্টোবর বুয়েনস আয়ার্সে বুরকিনা ফাসোর মুখোমুখি হবে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এই দুটি ম্যাচে দর্শকাসনে থাকলেও ৬ অক্টোবর বেনিনের বিরুদ্ধে তৃতীয় তথা শেষ ম্যাচে দেশের জার্সিতে শেষবারের মতো নামবেন মেসি।
কেন সেই ম্যাচে খেলানো হচ্ছে না মেসিকে? এই বিষয়ে আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপে শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য আগামী ম্যাচে দর্শকাসন ৫০ শতাংশ কমাতে বলেছে ফিফা। অর্থাৎ ওই ম্যাচে চাইলেও অনেক দর্শক মেসিকে বিদায় জানাতে পারবে না।
আকাশি নীল-সাদা জার্সিতে আর ম্যাজিক দেখাবেন না এলএম টেন। ১০ বছর আগেও একবার অবসর ঘোষণা করে ফেলেছিলেন। রাগে, দুঃখে, হতাশায়, অভিমানে। তারপর আবার ফিরে আসেন। ভাগ্যিস ফিরেছিলেন! রাজকীয় প্রত্যাবর্তন। তাঁর ট্রফি ক্যাবিনেটে বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা থেকে ফাইনালিসীমা।
বিশ্বকাপ হোক বা কোপা আমেরিকা দেশের জার্সিতে মেসি খেলতে নামলেই গ্যালারির ভিআইপি বক্সে সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত থাকতেন মেসির স্ত্রী। মাঠের বাইরে স্ত্রী ছিলেন মেসির অন্যতম সাপোর্ট স্টিমেট। বিশ্বকাপ হোক বা কোপা আমেরিকা দেশের জার্সিতে মেসি খেলতে নামলেই গ্যালারির ভিআইপি বক্সে সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত থাকতেন মেসির স্ত্রী। মাঠের বাইরে স্ত্রী ছিলেন মেসির অন্যতম সাপোর্ট স্টিমেট। শেষ ম্যাচেও উপস্থিত থাকবেন মেসির পরিবারের সদস্যরা।
















