আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর এজিএম হচ্ছে সিএবিতে। কিন্ত ভোটাভুটি হচ্ছে না। কোনও পক্ষই সচিব, যুগ্ম সচিব বা আপেক্স কাউন্সিলের পদের জন্য মনোনয়ন জমা দেয়নি। ফলে এখনই ভোটাভুটি হচ্ছে না। ৫ জনের কমিটি থেকে ২ জনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আপাতত সিএবির প্রশাসনিক কাজকর্ম সামলাবেন সভাপতি. সহ সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষ। নিয়ম অনুসারে, সভাপতি-সচিবের সই করার ক্ষমতা আছে। সভাপতি শহরে না থাকলে সই করার ক্ষমতা সভাপতি দিতে পারেন কোষাধ্য়ক্ষকে।
বুধবার সন্ধ্যায় মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, এজিএম ২৪ তারিখেই হবে। এজিএমটা সময়ের মধ্যে করাই নিয়ম। ভোটাভুটির নির্দিষ্ট কোনও সময় নেই। কেউ ভোটে মনোনয়ন জমা পড়েনি। এরপর পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত হবে। এরজন্য পরে এসজিএম ডাকা হতে পারে। এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়। প্রাক্তন ক্রিকেটারদের মধ্যে যারা আসছিলেন তারা প্রত্যেকেই আসবে।
এজিএমের আগে বিতর্কের অন্ত নেই বঙ্গ ক্রিকেট সংস্থায়। সিএবির এজিএমে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য সব সদস্য ভোটার ও অনুমোদিত সংস্থাকে মনোনয়নপত্র বিলি করা হয়। ইলেক্টোরাল অফিসারের তত্ত্বাবধানে একটি বেসরকারি ক্যুরিয়র সংস্থা ডিটিডিসি মনোনয়নপত্র বিলি করার দায়িত্ব পালন করছে। কিন্ত প্রশ্ন উঠেছে এই মনোনয়ন প্রক্রিয়া বিলি নিয়ে। কয়েক দিন আগে ময়দান থানায় এই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগ করেন ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউটের এক সদস্য গৌতম দে। তিনি অভিযোগ করেন যে, মনোনয়নপত্র বিতরণ স্বচ্ছতার সঙ্গে হচ্ছে না।
মঙ্গলবার পুলিশের পক্ষ থেকে সিএবির অফিসে একটি চিঠি দেওয়া হয়। খবর পেয়েই দ্রুত সিএবিতে আসেন কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাস। কোষাধ্যক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয় পুলিশের৷ সিএবি কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাসের কাছে বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর জানতে চায় পুলিশ। তাঁর কাছে যা যা জিনিস জানতে হয় কীভাবে এজিএমের মনোনয়নপত্র পাঠানো হয়? সভাপতি সৌরভ এই বিষয়ে বলেন,পুলিশের পক্ষ থেকে যে সমস্ত তথ্য চাওয়া হয়েছিল তা সবই পাঠানো হয়েছে।
এদিকে ১০ অক্টোবর মহালায়ার দিনে ইডেনে মেগা অনুষ্ঠান। ইতিমধ্যেই একটি প্রতিনিধি ইডেন পরিদর্শন করেন সিএবি কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সিএবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পিচের অংশ ফাঁকা রেখে অনুষ্ঠান করতে হবে। মাঠের জায়গাও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। সৌরভ বলেন, আমাদের সঙ্গে একবার বৈঠক ইতিমধ্যেই হয়েছে।
















