ACL2 - এ আল হুসেনের বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেও ড্র ইস্টবেঙ্গলের । ম্যাচের ফল ২-২।আনোয়ার ও দানি রামিরেজের গোলে আল হুসেনের বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। বিরতির পর ২ গোল শোধ করে আল হুসেন।

 

 

 প্রতিপক্ষ জর্ডানের ক্লাবটিতে বেশ কয়েকজন ফুটবলার ছিলেন যারা বিশ্বকাপ খেলেছে ফলে অধিকপক্ষ হিসাবে যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল এই দলটি। তার উপর ছিল পরিবেশের ভয়। কিন্তু সবকিছুকে ছাপিয়ে গেল ইস্টবেঙ্গলের অনবদ্য পারফরম্যান্স । ২ জন বা ৩ জন বিদেশির সাথে ভারতীয় ব্রিগেড নিয়ে বেশ ভালো লড়াই করল ইস্টবেঙ্গল।গিল এককথায় অনবদ্য।

 

ঘরের মাঠে শুরুটা আক্রমণাত্মক করার চেষ্টা করেছিল আল-হুসেইন। যদিও গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি ইস্টবেঙ্গলকে। নয় মিনিটে একটি লুজ বল থেকে শট নেন এডমুন্ড। তবে ভালো সেভ করেন জর্ডনের ক্লাবের গোলকিপার। কিন্তু ফিরতি বলে ডানি রামিরেজের গোল করে দলকে এগিয়ে দিলেন। এরপর সহজ সুযোগ নষ্ট করলেন এডমুন্ড।

এডমুন্ডের গোল মিস করার আক্ষেপ মাত্র ২ মিনিটের মধ্যেই মেটাল ইস্টবেঙ্গল। দানি রামিরেজ় কর্নার থেকে দুর্দান্ত বল ভাসিয়ে দেন বক্সে। সেই বলে লাফিয়ে উঠে মাথা ছোঁয়ান আনোয়ার আলি। তাঁর হেড লক্ষ্যভেদ করে জালে জড়িয়ে যায়। দ্বিতীয় গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে নেয় হাবাস ব্রিগেড । বিরতিতে ২ গোলে এগিয়ে থেকে সাজঘরে ফেরে ইস্টবেঙ্গল।

 

 

২-০ এগিয়ে গিয়েও, লিড ধরে রাখতে পারল না ইস্টবেঙ্গল। বিরতির পর আক্রমণের চাপ আরো বাড়ায় জর্ডনের দলটি, ৬১ মিনিটে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে খেলা আল মারদির গোলে ব্যবধান কমাল জর্ডনের দলটি, তবে এর দায় অবশ্যই ইস্টবেঙ্গল রক্ষণের। 

 

 ম্যাচের ৮৭ মিনিটে ওবেইদা দুর্দান্ত ক্রস বাড়ান আহমেদ আসাফের উদ্দেশে। সেই ক্রস থেকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান আসাফ। দুই পরিবর্তিত ফুটবলারের যুগলবন্দিতেই ম্যাচে ফিরল আল হুসেইন। দু গলে এগিয়ে থেকো, এক পয়েন্ট নিয়ে ফিরতে হচ্ছে ইস্টবেঙ্গলকে।

 

ইতিহাস গড়ে ঝুলিতে এল এসিএলের প্রথম পয়েন্ট, তাও বিদেশের মাটি থেকে।