জল্পনাই সত্যি হল। আসন্ন ২৪ সেপ্টেম্বর সিএবির বার্ষিক সাধারণ সভায় হচ্ছে না কোন নির্বাচন বুধবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ছিল মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময়। শাসক বিরোধীপক্ষ জল মাপলেও শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন জমা দিলেন না কোন ও পক্ষের কোন প্রতিনিধি। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত সাধারণ সভায় প্রতিনিধিত্বকারী ব্যক্তিরা মনোনয়ন জমা করলেন। কিন্তু সচিব, যুগ্ম সচিব বা আপেস কাউন্সিলের কোন সদস্য পদে ভোটের জন্য কোন মনোনয়ন জমা পড়েনি।
তবে সব থেকে উল্লেখযোগ্য এবার ক্রিকেট প্রশাসনের আসার পথে পা বাড়ালেন প্রাক্তন ক্রিকেটার লাহিড়ী । সালকিয়া ফ্রেন্ডস ক্লাবের পক্ষ থেকে বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রতিনিধিত্ব করতে চলেছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার। বুধবার বিকেলে মনোনয়ন জমা করেন প্রতিটি ক্লাব থেকে এবং জেলা সংস্থা থেকে মনোনীত ব্যক্তিরা। তবে কোন ভোটাভুটি এখনই হচ্ছে না সূত্রের খবর সরকারের শীর্ষমহল এখনি ভোটাভূটি চাইছে না। দুই পক্ষই জয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত আত্মবিশ্বাসী নয়। ফলে কোনরকম ঝুকি নিল না কোন পক্ষই। তারপর লোধা আইন মেনে। ভোটাভুটি কীভাবে হবে তা নিয়েও একটা জটিলতা তৈরি হয়েছে ।কয়েকদিন আগেই জেলা শাসকরা চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন লোধা আইন মেনে ভোট করতে হবে। এমনকি ৭০ বছর পেরিয়ে জাওয়া কোন ব্যক্তি ভোটে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না , এই পরিস্থিতিতে জটিলতার জেরে আপাতত সিএবিতে ভোটের দামামা বাজালেও শেষ পর্যন্ত তা হচ্ছে না এখনই। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ইদে নেই বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে সেই সভাতে শোনা যাচ্ছে শাসক দলের ছয় জন বিধায়ক কোন ক্লাবের প্রতিনিধি হয়ে আসতে পারেন।
বুধবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি সিএবির নির্বাচনী অফিসার সুশান্ত রঞ্জন উপাধ্যায় বলেন, আমরা এই পদ্ধতি শুরু করেছি ৩ সেপ্টেম্বর। মোট মনোনয়ন জমা পড়েছে ১২০ বা ১২২। তবে ভোটের জন্য কোনও মনোনয়ন জমা পড়েনি। এফ ১ ফর্ম জমা পড়েনি। ফলে ভোট হচ্ছে না। নির্বাচনী অফিসারের দায়িত্ব শুরু হয় নির্বাচন পক্রিয়া শুরু হল, নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যন্ত দায়িত্ব থাকে। সরকারি নিয়ম অনুসারে, কোনও পদ ফাঁকা থাকলে তার জায়গায় অন্য কাউকে দেওয়া হয়। এখন সিএবির দায়িত্ব ফাঁকা পদগুলি কবে পূরণ হবে।
আপাতত শাসক বিরোধী জল মাপছে। তার পর পরবর্তী পদক্ষপে নিতে পারে দুই পক্ষ।
















