সোমবার ধনধান্য অডিটরিয়াম অনুষ্ঠিত হলো সিএবির বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার আসিশ নেহরা । বঙ্গ ক্রিকেটে অবদানের জন্য এ বছর পূর্ণিমা চৌধুরী ও উৎপল চট্টোপাধ্যায়কে দেওয়া হল জীবনকৃতি সম্মান।

 

মরসুমের সেরা পেসারের পুরস্কার পেলেন শামি। যদিও দলীপ ট্রফির ফাইনালে খেলায় তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি। গত মরসুমের সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার পেয়েছেন সুদীপ ঘরামি। ‘জেন্টলম্যান ক্রিকেটার অফ দ্য ইয়ার’-এর পুরস্কার পেয়েছেন সুমন্ত গুপ্ত। মহিলাদের সিনিয়র স্তরে সেরা ক্রিকেটার হয়েছেন তনুশ্রী সরকার। এ পাশাপাশি বিভিন্ন বিভাগ কৃতিদের পুরস্কৃত করা হয়।

 

 সাম্প্রতিক সময় বিভিন্ন ইস্যুতে সিএবিতে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের দিনও যা বজায় থাকলো ।এদিন সিএবির পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছিল প্রাক্তন ক্রিকেটার সৌরাশিস লাহিড়ী অনূর্ধ্ব ১৯ দল নির্বাচন নিয়ে নিজের অভিযোগ তুলে নিয়েছেন ।যদিও কয়েক ঘন্টার মধ্যেই সৌরাশিস ভিন্ন সুরে কথা বললেন। তাঁর বক্তব্য, প্রথমত তিনি ওম্বুডসম্যানের কাছে কোনও অভিযোগ দায়েরই করেননি। তাহলে ‘প্রত্যাহার’ করছেন কী করছেন? তাছাড়া ‘প্রাক্তন বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য শুধুমাত্র ‘একক সদস্যের কমিটি’-র চেয়ারম্যান হিসেবেই দায়িত্ব পালন করছিলেন। সিএবি-র ওম্বুডসম্যান হিসেবে নয়। সেটা লিখিত কার্যবিবরণীতেও বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। ফলে বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তাই ওই বিজ্ঞপ্তিটি যেন অবিলম্বে প্রত্যাহার করা হয়।’ 

 

এখানেই শেষ নয় সুরজিৎ লাহিড়ীর বিরুদ্ধেও অভিযোগের নিষ্পত্তি হয়েছে বলে সিএবি দাবি করলেও ।সেই বিষয়ে সহজে মিটছে না। অভিযোগকারী প্রাঞ্জল অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেননি বলে সিএবির পক্ষ থেকে মিডিয়া বিবৃতি বলা হয় ।কিন্তু প্রাঞ্জল জানিয়েছেন তিনি এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করবেন।

সবমিলিয়ে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের দিনও বিতর্ক কিছু ছাড়লো না সিএবিকে