বিজেপিতে(BJP) যোগ দেওয়ার পর এবার ভোটের ময়দানে লিয়েন্ডার পেজ(Leander Paes )। বিধানসভা বা লোকসভা ভোটের লড়াইয়ে আপাতত লড়াই না করলেও ক্রীড়া প্রশাসনের নির্বাচনে লড়বেন ভারতীয় টেনিসের আইকন।
২০২৫ সালে বেঙ্গল টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের (BTA) প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন ভোটে জিতেই। এবার তিনি লড়তে চলেছেন সর্বভারতীয় টেনিস সংস্থার (AITA) সভাপতি পদে। স্পোর্টস পার্সন অফ আউটস্ট্যান্ডিং মেরিট রস্টারে যোগ দিতে চেয়ে ইতিমধ্যেই আবেদন করে ফেলেছেন লিয়েন্ডার। তারপরই প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসাবে তাঁর নাম প্রস্তাব করেছে বিটিএ। তবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় ভারতীয় টেনিসের সর্বোচ্চ পদে আসীন হচ্ছেন না লি। সর্বভারতীয় পদে নির্বাচনে লিয়ের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী হতে চলেছেন ডেভিস কাপের প্রাক্তন নন প্লেইং ক্যাপ্টেন রোহিত রাজপাল।
বিটিএ-র পক্ষ থেকে বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে, “বেঙ্গল টেনিস অ্যাসোসিয়েশন মনে করে, ভারতীয় টেনিস বর্তমানে এক গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে ও এর জন্য দরকার এমন এক দূরদর্শী মানুষকে, যিনি খেলোয়াড়, কোচ, রাজ্য সংস্থা, প্রশাসক – সবাইকে এক জায়গায় আনতে সক্ষম।”
লিয়েন্ডার বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর জল্পনা ছিল ভোটে লড়া নিয়ে,কিন্তু কিংবদন্তি খেলোয়াড়কে ক্রীড়া প্রশাসনের দিকেই ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে শিবিরের। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, পিটি উষা, কল্যাণ চৌবে, দিলীপ তিরকেরা সর্বভারতীয় সংস্থায় ক্রীড়া প্রশাসনে এসেছেন। এবার সেই একই পথের পথিক হতে চলেছেন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ী। ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজনের জন্য বহু চেষ্টা করছে ভারত। পাশাপাশি তৈরি হয়েছে মিশন অলিম্পিক ২০৩৬। দশ বছর পর অলিম্পিক থেকে ভারত যেন অন্তত ১০০টি পদক পায়, সেটা নিশ্চিত করতে চাইছে সরকার। উল্লেখ্য চলতি বছরে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন লিয়েন্ডার।
















