দলীপ ট্রফির ফাইনালে চালকের আসনে পূর্বাঞ্চল। তৃতীয় দিনের শেষে রীতিমত কোনঠাসা দক্ষিণাঞ্চল। পূর্বাঞ্চলের  ৭০৮ রানের জবাবে দক্ষিণাঞ্চলের রান ৬ উইকেটে ২৪২।  ব্যাটারদের পর দাপট দেখাচ্ছেন পূর্বাঞ্চলের বোলাররা। শামি-মুকেশদের বোলিংয়ে দিশেহারা সাউথ জোনের ব্যাটাররা। ম্যাচের শুরুতেই মুকেশ কুমারকে রিকি ভুঁইকে ফিরিয়ে দক্ষিণাঞ্চলকে ধাক্কা দেন। পরে অর্ধশতরান করা দেবদত্ত পডিক্কালকেও আউট করেন তিনি। এরপরেই চাপে পড়ে সাউথ জোন।

পূর্বাঞ্চল বোলারদের দাপটে নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে সাউথ জোন। রিকি ভুই, নারায়ণ জগদীশন, রশিদ – কেউই সেভাবে দাঁড়াতে পারেননি।দক্ষিণাঞ্চলের রান টেনে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব গিয়ে পড়ে অধিনায়ক তিলক বর্মা ও স্মরণ রবিচন্দ্রনের উপর। স্মরণ রঞ্জির গত মরসুমে সর্বাধিক রান করেছেন।  দিনের শেষে লোয়ার অর্ডারকে  নিয়ে লড়াই তিলক ভার্মার। ব্যক্তিগত ৫৬ রানে অপরাজিত রয়েছেন তিনি।  শামি এবং মুকেশ দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।

চতুর্থ দিনে দ্রুত সাউথ জোনের বাকি সব উইকেট ফেলে লিড নেওয়াই লক্ষ্য থাকবে ঈশান কিষাণদের।দলীপ ট্রফির ফাইনালে যদি খেলা ড্র হয়, তাহলে কিন্তু দুটো দলকেই বিজয়ী ঘোষণা করা হয় না কখনওই। এখানে দেখা হয় যে প্রথম ইনিংসে কোন দল বেশি রান করেছি। যে দলটি প্রথম ইনিংসে লিড বা ব্যবধান বজায় রাখতে পারবে, তাদেরকেই বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।


প্রথম ইনিংসে ৭০৮ রানের বিশাল স্কোর তুলেছে পূর্বাঞ্চল।  ওপেনার অভিমন্যু ঈশ্বরন ৭২ রান করেন। বৈভব সূর্যবংশী যোগ করেন ৪৪ রান, আর তিন নম্বরে নামা শিখর মোহন করেন ৮৫ রান।
-----