ক্রীড়া আইন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের মুখে বিসিসিআই। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এবং তার অধীনস্থ রাজ্য ক্রিকেট সংস্থা গুলির থেকে নতুন আইন প্রয়োগের পদক্ষেপ ও বর্তমান অবস্থান স্পষ্ট করতে চেয়েছেন, সুপ্রিম কোর্টের তিন সদস্যের বেঞ্চ, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী, এবং বিচারপতি ভি. মোহনা। সুপ্রিম কোর্ট সরাসরি জানতে চেয়েছে কেন বিসিসিআইসহ সমস্ত রাজ্য ক্রিকেট সংস্থাগুলিকে ক্রীড়া আইনের আওতায় আনা হবে না
ক্রীড়া আইন লাগু হলেও তার আওতায় নেই বিসিসিআই। দেশের অন্য ক্রীড়া সংস্থা গুলি এই আইনের মধ্যে আছে। এই আইনে রয়েছে কিছু কড়া নিয়ম, যেমন পদাধিকারীদের বয়স সীমা, নৈতিক মানদণ্ড, কার্যকালের নির্দিষ্ট সীমা, ইত্যাদি। অন্যদিকে, বিসিসিআই এর পদাধিকারীরা রাজ্য এবং জাতীয় স্তরে মিলিয়ে টানা বারো বছর দায়িত্বে থাকতে পারেন।
বিসিসিআই-এর প্রশাসনে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ অবশ্য নতুন নয়। ভারতীয় ক্রিকেটে সংস্কারের লক্ষ্যে বিচারপতি আর. এম. লোধা কমিটির সুপারিশের পর থেকেই বোর্ডের সাংগঠনিক কাঠামো এবং প্রশাসনিক নিয়মে একাধিক পরিবর্তন এসেছে। ২০১৮ সালে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুসারে সংশোধিত বিসিসিআই সংবিধান গৃহীত হয়।,২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে লোধা কমিটি সুপারিশ গ্রহণ করে বিসিসিআই। এখানেই শেষ নয়, সুপ্রিম কোর্ট বোর্ডের আধিকারিকদের কার্যকাল সংক্রান্ত নিয়মের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী আদেশ সংশোধন করার অনুমতি দেয়। লোধা কমিটির সুপারিশ অনুসারে, রাজ্য ক্রিকেটে ৬ বছর এবং ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের দায়িত্বে ৬ বছর মিলিয়ে টানা ১২ বছর কাজ করতে পারেন। এই কার্যকাল শেষ হলে পরবর্তী ৩ বছর কুলিং পিরিয়ড হিসেবে ধরা হয়।
এদিকে নিয়ম বদলাচ্ছে ভারতীয় অলিম্পিক সংস্থায়ও। ৭০ পেরিয়ে গেলে পদ ছাড়তে হবে পিটি উষাদের। এমনই নির্দেশিকা দিল আন্তর্জাতিক অলিম্পিক সংস্থা। আইওএ-র এখনকার সংবিধানের ১৪.৩ ধারায় বলা হয়েছে, ৭০ পেরিয়ে যাওয়া সদস্যেরা ভোটে লড়তে পারেন । তবে সম্প্রতি সংশোধিত যে সংবিধান পাশ করানো হয়েছে তাতে সকল কর্তা এবং কর্মসমিতির সদস্যদের বয়সসীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে ৭০-এ। এরপর তারা পদে থাকতে পারবেন না। ফলে কিছুটা চাপ তৈরি হল উষাদের উপর।
এ দিকে, হকি ইন্ডিয়ার সচিব ভোলানাথ সিংহের বিরুদ্ধে যে যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনেছেন মহিলা হকি দলের অধিনায়ক অসুন্তা লাকরা, তার তদন্ত করতে একটি কমিটি গড়েছে আইওএ।
















