সুপ্রিম কোর্টে কিছুটা স্বস্তি পেলেন ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েল। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস এবং ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন বাংলা দলের ক্রিকেটার। হাইকোর্টে তাঁর জামিনের মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বলল সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইয়ার বেঞ্চ আবেদন করেন অভিষেক।
বর্তমানে জেল হেফাজতে আছেন অভিষেক। এর আগে কলকাতা হাইকোর্টে ধাক্কা খান ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েল।তাঁর গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েল দ্রুত শুনানির আবেদন খারিজ করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্টকে অভিষেকের জামিনের আবেদন দ্রুত করতে হবে। বাংলা দলের ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে ৬৯, ৩১১, ৩১৮, ৬৬/৭২ আইটি ও বিএনএস-এর একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গত ১১ অগাস্ট তাঁকে গ্রেফতার করা হয় অভিষেককে। এক ডাক্তারির ছাত্রী তাঁর বিরুদ্ধেই বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ তুলে থানায় দ্বারস্থ হোন। তারপরই গত ১১ অগস্ট কলকাতার দমদম এলাকা থেকে অভিষেক পোড়েলকে গ্রেফতার করে হুগলির মগরা থানার পুলিশ। অভিযোগ, কর্নাটকে ডাক্তারী পড়ুয়া এক তরুণী গত ২৩ জুন মগড়া থানায় গিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি বর্তমানে হুগলি জেলে বন্দি রয়েছেন।
ভিন রাজ্যের ডাক্তারি পড়ুয়া সঙ্গে তিন বছর ধরে সম্পর্ক ছিল অভিষেকের। অভিযোগ ওঠে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয় দুজনে বিদেশে ঘুরতে যান। কিন্তু তারপর ধীরে ধীরে যোগাযোগ কমিয়ে দেন ক্রিকেটার। তাদের মধ্যে আরও দূরত্ব হয়।এরআগেও তাদের মধ্যে অশান্তি হয় কিন্তু পুলিশে অভিযোগ করেননি তরুণী।
শেষ পর্যন্ত থানার দ্বারস্থ হন চিকিৎসক পড়ুয়া তরুণী। মগরা থানায় ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ প্রথমে ক্রিকেটারের চন্দননগরের বাড়িতে যান সেখানে তাঁকে পাওয়া যায়নি। এরপর অভিযোগকারী তরুণী কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। অভিযোগ দায়েরের পর বেশ কিছু দিন কেটে গেলেও পুলিশ কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় ওই তরুণী কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। হাইকোর্টের নির্দেশে গ্রেফতার করা হয় অভিষেক। ইতিমধ্যেই বাংলা দলের স্কোয়াড থেকে বাদ গিয়েছেন অভিষেক।
















