২৮ অগাস্ট তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের সভা করতে অনুমতি পেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস। পালটা বালিশ শিবিরকেও অনুমতি দিয়েছে কোর্ট। তবে দুটি ক্ষেত্রেই বেশ কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে।

তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের সভা করার আর্জি নিয়ে দুপক্ষই আদালতে যায়। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি জানান, তৃণমূল কংগ্রেস সভা করবে বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়াম সংলগ্ন ক্যাথিড্রাল রোডে আর বালিশ শিবির রানি রাসমনি রোডে। দুপুর ১২-৩ পর্যন্ত সভার সময়। তবে ১৫০০ র বেশি সদস্য সমর্থক আনা যাবে না। এবং রাস্তার এক দিক খোলা রাখতে হবে। 

প্রশ্ন হচ্ছে, সমর্থক সংখ্যা ১৫০০ জন হল না তার বেশি হল, এই সংখ্যাটা গুনবে কে এবং বেশি হলে কী করা হবে, তার সমাধান পাওয়া যায়নি কোর্টের নির্দেশে। গত ২১ জুলাই তারিখে একই সমস্যা হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায়। উপচে পড়া মানুষকে আটকানো যায়নি। এক্ষেত্রেও সেই ঘটনা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। পুলিশ তখন মামলা করেছিল। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, কোনও জনসভায় আদৌ কি সমর্থক সংখ্যা বেঁধে দেওয়া যায়! 
 
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে সভা করতে চাওয়া হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এখানেও অনুসরণ করেছে বালিশ শিবির। তারাও ওই একই জায়গায় সভা করতে চায়। ফলে মামলা গড়ায় কোর্টে।  বিগত আড়াই দশক ধরে গান্ধী মূর্তির তলাতেই সভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধান বক্তা থাকেন। বিজেপি তৃণমূল ভাঙিয়ে বালিশ শিবির তৈরি করার পর তাদের কাজই হল, তৃণমূল যখনই কোনও সভা করবে, সেখানে গিয়ে তারা পালটা দাবি জানাবে। এক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। ২১ জুলাই এইভাবেই মুখ পুড়েছে বালিশ শিবিরের। মানুষ ফাঁকা চেয়ার গুনেছেন। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় অতিরিক্ত মানুষ হওয়ায় পুলিশ মামলা করেছিল কোর্টে। ২৮ অগাস্টও তার পুনরাবৃত্তি হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।