ভাঙড় কলেজে (Bhangar College) অশান্তির ঘটনায় চার জনকে গ্রেফতার (Arrest) করল পুলিশ। ধৃতদের নাম শাহরুখ আখতার আলি মোল্লা, আসলাম হাবিব, রবিউল মিস্ত্রি এবং রবিউল জামান শেখ। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের মধ্যে দু’জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন কলেজের পড়ুয়াদের (College Student) একাংশ। অন্য দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে পুলিশের স্বতঃপ্রণোদিত মামলায়।
আরও পড়ুন: পুলিশের পোশাকে বিজেপির মঞ্চে সংবর্ধনা! নিরপেক্ষতার প্রশ্নে কাঠগড়ায় ফাঁড়ির আধিকারিক
সম্প্রতি ভাঙড় কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি করা হয়েছে বিজেপি নেতা (BJP Leader) সায়ন্তন বসুকে (Sayantan Basu)। সোমবার সভাপতি হিসেবে প্রথম বার কলেজে যান তিনি। তাঁর ক্যাম্পাসে প্রবেশকে কেন্দ্র করেই উত্তেজনা ছড়ায়। সায়ন্তনের গাড়ি কলেজের গেটে পৌঁছতেই বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের সদস্য (SFI) এবং আইএসএফ (ISF) সমর্থকদের একাংশ সেখানে জড়ো হন বলে অভিযোগ। পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করেন এবিভিপি-র (AVBP) সমর্থকেরা। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায় এবং হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়। অশান্তির ঘটনায় এবিভিপি-র সমর্থক ছাত্রীদের উদ্দেশে কুরুচিকর মন্তব্য, গালিগালাজ এবং অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির অভিযোগও ওঠে। এই ঘটনায় ছাত্রছাত্রীদের একাংশ ভাঙড় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে শাহরুখ আখতার আলি মোল্লা এবং আসলাম হাবিবকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
অন্য দিকে, ভাঙড় থানার (Bhangar Police Station) স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে রবিউল মিস্ত্রি এবং রবিউল জামান শেখকে। তাঁদের বিরুদ্ধে অবৈধ জমায়েত, বেআইনি ভাবে কলেজে প্রবেশ এবং পরিচালন সমিতির সভাপতিকে কাজে বাধা দেওয়ার মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। সোমবারের ঘটনার পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই ভাঙড় কলেজের সামনে পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে। নতুন করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে জন্য কলেজ চত্বর এবং আশপাশের এলাকায় নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে কলেজে অশান্তির ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা এবং ঘটনার নেপথ্যে ঠিক কী হয়েছিল, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।
















