Site Logo

কোচবিহারে এবার ৯-এ ৯, শাহের মিথ্যাচার মনে করিয়ে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

EBBS Desk·
কোচবিহারে এবার ৯-এ ৯, শাহের মিথ্যাচার মনে করিয়ে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

কোচবিহারের মাটিতে দাঁড়িয়ে বিজেপির মিথ্যাচারের একাধিক উদাহরণ স্মরণ করালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বিশাল র‍্যালি শেষে তিনি বলেন, ২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কোচবিহার দক্ষিণ এবং কোচবিহার উত্তর— এই দুই বিধানসভা কেন্দ্র ছিল বিজেপির দখলে। ডবল ইঞ্জিনের স্বাদ কোচবিহারের মানুষ চেখে দেখেছে। তারা নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে বহু প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি বলে মানুষের অভিযোগ।

Sponsored

Sranchi In Article

অমিত শাহের দেওয়া প্রতিশ্রুতি প্রসঙ্গ টেনে অভিষেক বলেন, ওরা বলেছিল কোচবিহারে নারায়ণী ব্যাটালিয়ন তৈরি হবে৷ চিলারায় নামে আধাসামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলার কথাও বলা হয়েছিল। ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার নামে সংগ্রহশালা তৈরি হবে আড়াইশো কোটি টাকা খরচ করে। মদনমোহন মন্দির ও জল্পেশ মন্দিরকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছিল। উত্তরবঙ্গে একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও এইমস হবে বলেছিল। কোচবিহার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিণত করার কথা বলা হয়েছিল। রাজবংশী জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন, রাজবংশী ভাষার বিস্তারে রাজবংশী স্কুল তৈরির কথা বলেছিল। রাজবংশী ভাষাকে অষ্টম তফসিলের অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলেছিল। একটা প্রতিশ্রুতিও পূরণ করেনি। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, কখনও নোটবন্দি, কখনও এসআইআর, কখনও লকডাউন, কখনও গ্যাস সিলিন্ডারের নামে গরিব মানুষকে লাইনে দাঁড় করিয়েছে। এর জবাব কোচবিহারবাসী আগামী দিন দেবেন কিনা? যখন ইচ্ছা আপনাদের লাইনে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে। তাঁর সংযোজন, স্বাধীনতার ৭৯ বছর পরে মানুষকে লাইনে দাঁড়িয়ে নাগরিকত্বের পরিচয় দিতে হচ্ছে দিল্লির গুজরাতের নেতাদের কাছে, বাঙালি তাদের কাছে মাথানত করবে না।

কোচবিহারে এসে বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কোচবিহার শহরে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীদের সমর্থনে এদিন রোড শো করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কোচবিহার এবিএন শীল কলেজে হেলিকপ্টারে নেমে হুড খোলা গাড়িতে চেপে রোড শো করেন তিনি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাছ থেকে দেখতে রাস্তার দুপাশে হুমড়ি খেয়ে পড়েন কোচবিহারের সাধারণ মানুষ। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের র‍্যালিতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। দলের ছাত্র-যুব, মহিলা কর্মীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উচ্ছ্বাস। হুড-খোলা গাড়িতে দাঁড়িয়ে রাস্তার দু-পাশে দাঁড়ানো সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে ফুল ছুঁড়তে দেখা গেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বি এন শীল কলেজ থেকে রোড শো শুরু হয়ে তা শেষ হয় পুরাতন পোস্ট অফিস করার মাঠে। মাঝে গাড়ি থেকে নেমে পায়ে হেটে মদনমোহন মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন তিনি। পাশাপাশি কটাক্ষ করে তিনি বলেন আমরা এই শহরে এলে মদনমোহন মন্দিরে পুজো দিয়ে দিনটি শুরু করি। যারা নিজেদের ধারক ও বাহক ও রক্ষা করতে বলে নিজেদের দাবি করে অথচ রাসমেলা মাঠে সভা করে গেল দু মিনিট পায়ে হেঁটে গিয়ে মদনমোহন মন্দিরে গিয়ে ঠাকুর দর্শনের প্রয়োজন বোধ করেননি নরেন্দ্র মোদি।

এদিন মদনমোহন মন্দির থেকে বেরোনোর সময় দলের ভক্তদের আবদারে সেলফিও তোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরে মাঠে হুড-খোলা গাড়ির উপরে উঠে মাইক হাতে বক্তব্য রাখতে শুরু করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কোচবিহার দক্ষিণ এবং কোচবিহার উত্তর—এই দুই বিধানসভা কেন্দ্র ছিল বিজেপির দখলে। ডবল ইঞ্জিনের স্বাদ কোচবিহারের মানুষ চেখে দেখেছে। তারা নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে বহু প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি বলে মানুষের অভিযোগ। অমিত শাহের দেওয়া প্রতিশ্রুতি প্রসঙ্গ টেনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অমিত শাহ বলেছিল কোচবিহারে নারায়ণী ব্যাটেলিয়ন তৈরি হবে৷ চিলারায় নামে আধাসামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলার কথাও বলা হয়েছিল। ঠাকুর পঞ্চানব বর্মার নামে সংগ্রহশালা তৈরি হবে আড়াইশো কোটি টাকা খরচ করে। মদনমোহন মন্দির ও জল্পেশ মন্দিরকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছিল। উত্তরবঙ্গে একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও এমস হবে বলেছিল। কোচবিহার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিণত করার কথা বলা হয়েছিল। রাজবংশী জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন, রাজবংশী ভাষার বিস্তারে রাজবংশী স্কুল তৈরির কথা বলেছিল। রাজবংশী ভাষাকে অষ্টম তফসিলের অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলেছিল। একটা প্রতিশ্রুতিও পূরণ করেনি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, কখনও নোটবন্দি, কখনও এসআইআর, কখনও লকডাউন, কখনও গ্যাস সিলিন্ডারের নামে গরিব মানুষকে লাইনে দাঁড় করিয়েছে। এর জবাব কোচবিহারবাসী আগামী দিন নেবেন কিনা? যখন ইচ্ছা আপনাদের লাইনে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে। সকলকে নতুন বছরের শুভেচ্ছাও জানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সভা শেষে গাড়িতে চেপে যান এবিএনশীল কলেজের মাঠে। এরপরে হেলিকপ্টারে চেপে তিনি পরবর্তী কর্মসূচির উদ্দেশ্যে রওনা হন।

আরও পড়ুন - শমীকের হেলিকপ্টারের দাপটে উড়ল চাল! তীব্র কটাক্ষ তৃণমূলের

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from রাজ্য

View All →