বারুইপুরে(BaruipuR) গণপিটুনির ঘটনায় গ্রেফতার আরও ২, এর আগে এই ঘটনায় ৫জনকে গ্রেফতার করা হয়। সব মিলিয়ে মোট গ্রেফতারের সংখ্যা ৭। পুলিশের উপর হামলা এবং গণপিটুনি কাণ্ডে সব মিলিয়ে ধৃত ৪০।

 ধৃত শামিম আলি খানের বাড়ি বারুইপুরে। তাঁকে ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলকে মারধর করতে  ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল। পুলিশ সূত্রের খবর, শামিম ইন্দ্রজিত হত্যায় অন্যতম অভিযুক্ত। তাঁকে ভিডিতে মারধর করতে দেখা গিয়েছে।  পরিবার সূত্রের খবর, বারুইপুরে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় কোনও ভূমিকা না থাকা সত্বেও ইন্দ্রজিৎকে জোর করে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়, পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পেশায় অটো চালক ইন্দ্রজিৎ উন্মত্ত জনতার সামনে বারবার তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করলেও কোনও কর্ণপাত করা হয়নি।

 

শনিবার গণপিটুনিতে নিহত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পরিবারকে ২৫ লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য করেন সরকারের পক্ষ থেকে। সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয়, নিহত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের দাদার হাতে রাজ্য সরকারের সিভিক ভলান্টিয়ার পদে নিয়োগপত্র তুলে দেন তিনি। গণপিটুনিতে নিহত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এরপরই দ্রুত অ্যাকশন নিল পুলিশ।

 

বারুইপুরের সূর্যপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের বহুচর্চিত মামলায় তদন্তকারী অফিসার (IO) ফের  পরিবর্তন করা হয়েছে। এই মামলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বারুইপুর পুলিশ জেলার ডিএসপি শান্তনু মুখোপাধ্যায়কে। এই নিয়ে দু বার তদন্তকারী অফিসার বদল করা হল। পুলিশ সূত্রের খবর, মামলার সমস্ত দিক নতুন করে পর্যালোচনা করে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। ইতিমধ্যেই এই মামলায় একাধিক অভিযুক্ত গ্রেফতার হয়েছেন। উল্লেখ্য, গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত এক ব্যক্তি পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত হয়েছেন। তার পৃথক তদন্ত করছে সিআইডি।