একুশে জুলাইয়ের মেগা সমাবেশের ঠিক আগের রাতে তুমুল উত্তেজনা বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে তৃণমূলের সভাস্থলে। মূল মঞ্চের প্রস্তুতি চলাকালীন সেখানে আচমকাই হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। ভাঙচুর করা হয় তৈরি হতে থাকা মঞ্চের একাংশ, ছিঁড়ে ফেলা হয় শহিদ স্মরণের ব্যানার ও পোস্টার। নষ্ট করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় সাউন্ড সিস্টেমও। এমনকী দূরদূরান্ত থেকে আসা শহিদ পরিবারের সদস্যদের সভাস্থলে পৌঁছাতে বাধা দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।
মাঝরাতে এই ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছান তৃণমূল সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তড়িঘড়ি তিনি নিজে উপস্থিত হন সভাস্থলে। রাত বারোটা বেজে গেলেও সেখানে উপস্থিত রয়েছেন রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেন, ডেরেক ও'ব্রায়েন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় উপাসনা চৌধুরী-সহ আরও অনেকে।
সভাস্থলে দাঁড়িয়েই প্রশাসনের একাংশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন তৃণমূল নেত্রী। আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, যাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার দায়িত্ব ছিল, তারা আজ সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় ও আউট অফ অর্ডার হয়ে গেছে। এই পরিকল্পিত হামলার বিরুদ্ধে সরব হয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, একুশে জুলাইয়ের পবিত্র মঞ্চ ভাঙার এই জঘন্য চেষ্টার প্রতিবাদে তাঁর দল আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছে। নেত্রীর পাশাপাশি কিছুক্ষণের মধ্যেই সভাস্থলে পৌঁছান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি গোটা এলাকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন এবং দলীয় কর্মীদের শান্ত থাকার পাশাপাশি সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।
















