নিজেদের যত্ন কতটা নেন মহিলারা (Women)? সংসারের প্রত্যেক সদস্যের খেয়াল রাখতে গিয়ে অনেক সময় নিজেদের শরীরের ছোটখাটো পরিবর্তনও কি তাঁরা উপেক্ষা করেন? মহিলাদের ক্যান্সার (Women Cancer) নিয়ে  Winning Pink-এর এক সচেতনতা কর্মসূচিতে উঠে এল এমনই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। বার্তা স্পষ্ট- ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভয় নয়, প্রয়োজন সচেতনতা, নিয়মিত নজরদারি এবং সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ।

আরও পড়ুন: অভাবকে হারিয়ে একসঙ্গে পুলিশে ৩ ভাই-বোন

দক্ষিণ কলকাতার একটি রেস্তরাঁয় স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্য-সহায়তা সংস্থা ‘সুস্বাস্থ্য’-র উদ্যোগে আয়োজিত হয় এই সচেতনতা কর্মসূচি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অঙ্কলজিস্ট অমিত মণ্ডল, ভিক্টর মন্ডল, পার্থ সেন, প্রগতি সিঙ্ঘল-সহ বিশিষ্টজনেরা। আলোচনায় মহিলাদের ক্যান্সার (Cancer) সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং সময়মতো চিকিৎসা শুরু করার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন চিকিৎসকরা।

 

চিকিৎসকরা বলেন, ক্যান্সারের চিকিৎসা পদ্ধতি গত কয়েক বছরে অনেকটাই উন্নত হয়েছে। নতুন নতুন ওষুধ, চিকিৎসা-পদ্ধতি ও প্রযুক্তির সাহায্যে বহু রোগী ক্যান্সারকে জয় করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন। ফলে ক্যান্সার ধরা পড়লেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ার পরিবর্তে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শুরু করাই গুরুত্বপূর্ণ। তাই ক্যান্সার মানেই এখন আর হতাশা নয় বরং লড়াই করে সুস্থতার পথে এগিয়ে যাওয়া। মহিলাদের সেক্ষেত্রে অনেক বেশি সতর্কও থাকতে বলেছেন তাঁরা।

 

সেইসঙ্গে  সচেতনতা কর্মসূচিতে মহিলাদের ক্ষেত্রে শরীরে কোনও অস্বাভাবিক বা নতুন পরিবর্তন দেখা দিলে তা অবহেলা না করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। ছোট কোনও উপসর্গকেও দীর্ঘদিন ফেলে না রেখে প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত বলে জানান তাঁরা। কারণ সময়মতো রোগ শনাক্ত হলে চিকিৎসার সুযোগও বাড়ে।

ক্যান্সার মানেই জীবন থেমে যাওয়া নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতির পাশাপাশি সচেতনতা ও সময়মতো চিকিৎসা রোগীর সুস্থতার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই ক্যান্সারকে ঘিরে আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন মনের জোর, সচেতনতা এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ এই বার্তাই উঠে এল ‘উইনিং পিঙ্ক’-এর এই সচেতনতা কর্মসূচি থেকে।