Site Logo

ভোটের আগে রিস্ক-ফ্রি কমিটি বিজেপির! জেলা ইনচার্জ পদে পুরোনোতে আস্থা 

EBBS Desk·
ভোটের আগে রিস্ক-ফ্রি কমিটি বিজেপির! জেলা ইনচার্জ পদে পুরোনোতে আস্থা 

২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে বঙ্গ বিজেপির স্ট্যাটেজি ঠিক করতে মাথার ঘাম পায়ে ফেলছেন অমিত শাহ, নরেন্দ্র মোদি। সেই পরিস্থিতিতে কোনও ক্রমে এজেন্ট থেকে প্রার্থী - ভোট পর্যন্ত বঙ্গ বিজেপিকে তৃণমূলের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে খাঁড়া করাটাই বিজেপি নেতাদের প্রধান কাজ। বুধবার ৪৩টি সাংগঠনিক জেলার ইনচার্জের যে তালিকা সামনে এসেছে, তাতে সেই পুরনো ও অনুগত মুখের ভিড়। আর ব্রাত্যদের তালিকায় সেই পরিচিত নামগুলো— সজল ঘোষ, শঙ্কুদেব পণ্ডা বা কৌস্তভ বাগচী। মুখে একতার কথা বললেও আদতে যে দলে 'শুভেন্দু-ঘনিষ্ঠ' তকমা সাঁটা নেতাদের ডানা ছাঁটাই চলছে, তা এই তালিকা দেখলেই স্পষ্ট হয়। শমীক ভট্টাচার্যের নতুন টিমে ব্রাত্য রইলেন তরুণজ্যোতি তিওয়ারিও।

Sponsored

Sranchi In Article

গেরুয়া শিবিরের অন্দরমহলের রসিকতা, সারাদিন টিভির পর্দায় গলা ফাটিয়ে আর বিতর্কের ঝড় তুলেও শিকে ছিঁড়ল না লড়াকু নেতাদের। ক্যামেরা আর স্টুডিওর আলোয় যাঁদের দাপট দেখার মতো, দলের ইনচার্জের খেরোখাতায় তাঁদের নাম যেন সযত্নে মুছে ফেলা হয়েছে। শমীক ভট্টাচার্য আদতে নিজের রাশ শক্ত করতেই 'পছন্দের' পাত্রদের জেলায় জেলায় পাঠাচ্ছেন। যাঁরা রাজ্য কমিটিতে জায়গা পাননি, তাঁদের জেলা ইনচার্জের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকেও দূরে রাখা হয়েছে। দলের একাংশের তীক্ষ্ণ টিপ্পনী, টিভি স্টুডিওতে বিরোধী নিধনে পারদর্শী হলেও নিজের দলে কেন 'বাতিল' তকমা জুটল এই বাগ্মীদের? কেবল ভাষণ দিয়ে কি আর পদ পাওয়া যায়, যদি না হাইকমান্ডের সুনজরে থাকা যায়?

Sponsored

Merlin In Article

নিশীথ প্রামাণিক বা মনোজ টিগ্গার মতো চেনা নামগুলো যথাক্রমে শিলিগুড়ি বা কোচবিহারের দায়িত্ব পেয়েছেন। তাপস রায় সামলাবেন দক্ষিণ কলকাতা। আবার দেবশ্রী চৌধুরীকে পাঠানো হয়েছে বসিরহাটে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, সায়ন্তন বসু বা রাজকমল পাঠকদের মতো পোড়খাওয়া নেতাদের কেন ব্রাত্য রাখা হল? এই বাদ পড়ার তালিকায় থাকা নেতাদের সমর্থকরা আড়ালে বলছেন, যাঁরা ময়দানে লড়াই করেন আর টিভিতে দলের মুখ রক্ষা করেন, তাঁদের চেয়ে ড্রয়িং রুমে বসে থাকা নেতাদের কদরই বোধহয় এখন পদ্মশিবিরে বেশি।

Sponsored

Shyam Sundar In Article

পুরনো মুখ তনুজা চক্রবর্তী বা ভাস্কর ভট্টাচার্যদের শ্রীরামপুর-হুগলির দায়িত্ব দিয়ে 'সমন্বয়' রক্ষার চেষ্টা হলেও, দলের নিচুতলার কর্মীদের প্রশ্ন— এই 'পুরনো মুখ' দিয়ে নতুন জোয়ার আসবে তো? নাকি নতুন সভাপতি এই ঘর গোছানোর খেলায় লড়াকু মুখগুলো কেবল টিভির পর্দাতেই সীমাবদ্ধ থেকে যাবে আর দলের মূল স্রোত থেকে হারিয়ে যাবে বিস্মৃতির অতলে?

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

_

Sponsored

Probe In Article

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

Related Articles

More from রাজ্য

View All →