চুঁচুড়ায় বামেদের 'জেল ভরো' কর্মসূচিকে ঘিরে সোমবার ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। হুগলির ঘড়ির মোড়ে ডেপুটেশন দিতে যাওয়ার পথে পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙাকে কেন্দ্র করে বাম কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়। পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ তুলেছে বামেরা। আটক করা হয়েছে সিপিএমের প্রাক্তন বিধায়ক আমজাদ হোসেন-সহ একাধিক বাম কর্মীকে।
আরও পড়ুন: হালিশহরে মমতার উপর হামলার প্রতিবাদে উত্তাল বাংলা
সোমবার দুপুরে হুগলি মোড় থেকে মিছিল শুরু করেন বাম সমর্থিত বিভিন্ন সংগঠনের কর্মী-সমর্থকেরা। আখন বাজারে মিছিল শেষ হওয়ার পর সেখানে পথসভা হয়। পরে ১১ দফা দাবি নিয়ে হুগলির জেলাশাসকের কাছে ডেপুটেশন দিতে এগিয়ে যান তাঁরা। ডিএম অফিসের সামনে আগে থেকেই তিন স্তরের ব্যারিকেড তৈরি রেখেছিল পুলিশ। বামেদের দাবি, প্রথম দু’টি ব্যারিকেড পেরিয়ে গেলেও তৃতীয় ব্যারিকেডে পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। শুরু হয় বচসা ও ধাক্কাধাক্কি। এরপরই পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ বাম নেতৃত্বের। ঘটনায় বেশ কয়েক জন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন বলেও দাবি।
আটকের আগে আমজাদ হোসেনের অভিযোগ, "এটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আইন অমান্য আন্দোলন ছিল। পুলিশ অযাচিত ভাবে কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে। মহিলা কর্মীদেরও আক্রমণ করা হয়েছে।" আটক সকলকে অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।
আরও পড়ুন: শান্তিনিকেতনে তল্লাশি চালিয়ে আটক টুলু-ঘনিষ্ঠ ৩
বামেদের ১১ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে শ্রমিক-বিরোধী শ্রমকোড বাতিল, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও ন্যূনতম মজুরি বাড়ানো, কৃষকদের ফসলের লাভজনক দামের আইনি নিশ্চয়তা, এককালীন কৃষিঋণ মকুব, ১০০ দিনের কাজ পুনর্বহাল করে বছরে ২০০ দিন কাজ ও দৈনিক ৬০০ টাকা মজুরি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং সর্বজনীন গণবণ্টন ব্যবস্থা চালু। পাশাপাশি SIR-এ বাদ পড়া বৈধ ভোটারদের দ্রুত ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির দাবিও জানানো হয়েছে।
















