রাজ্যে বিমানবন্দর (Airport) ও বন্দরের (Port) সংখ্যা বাড়িয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এগোতে চাইছে নতুন সরকার। সেই লক্ষ্যেই একাধিক নতুন বিমানবন্দর গড়ে তোলা, পুরনো বিমানবন্দরের পরিকাঠামো সম্প্রসারণ এবং নতুন বন্দর নির্মাণের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Chief Minister Suvendu Adhikari)। 'টিভি ৯ বাংলা'র মেগা কনক্লেভে সরকারের আগামী দিনের এই রূপরেখা সামনে আনেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, কল্যাণীতে বিমানবন্দর তৈরির জন্য জমি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আদানি গোষ্ঠীর (Adani Group) সঙ্গে তাঁর আলোচনার কথাও তুলে ধরেন তিনি। সেখানে নিউটাউনে (New Town) প্রায় দু হাজার শয্যার একটি আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, ওই হাসপাতালে প্রায় বিনামূল্যে ১০০০ বেড গরিব মানুষের চিকিৎসার জন্য থাকবে। আর বাকি ১০০০ বেড কর্মার্শিয়ালি ব্যবহার হবে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ওই প্রকল্পের ভূমিপুজো হওয়ার কথা।

রাজ্যের বন্দর ও বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থার সম্প্রসারণেও একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। দাদনপাত্রবাড় এলাকায় নতুন বন্দর গড়ার জন্য জমি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কোচবিহার, মালদা, বালুরঘাট এবং পুরুলিয়াকে উড়ান পরিষেবার আওতায় আনার প্রক্রিয়া এগিয়েছে। বাগডোগরা বিমানবন্দরের সম্প্রসারণের জন্যও কাজ চলছে। হাসিমারা এবং কলাইকুণ্ডাতেও বিমান পরিকাঠামো সম্প্রসারণের জন্য রাজ্য জমি দিয়েছে বলে জানান তিনি।

হলদিয়া বন্দরের ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যে নতুন বন্দর গড়ে ওঠেনি। সেই জায়গা থেকেই এখন নতুন করে বন্দর ও বিমান পরিকাঠামো গড়ে তুলে রাজ্যের শিল্প-বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। নতুন সরকারের এই উদ্যোগে আগামী দিনে রাজ্যে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলেই বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী।