জন্মশতবর্ষে বাঙালির ম্যাটিনি আইডল উত্তম কুমার (Uttam Kumar)। আগামী ৩ সেপ্টেম্বর মহানায়কের জন্মদিন উপলক্ষ্যে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)নিজে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। আর এবার মাসের শেষ 'মন কি বাত' অনুষ্ঠানে দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখেও শোনা গেল উত্তমকুমারের কথা। রবিবাসরীয় সকালে নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)১৩৭তম 'মন কি বাত' (Mann Ki Baat) এপিসোডে দেশবাসীকে মনে করিয়ে দিলেন উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষের কথা। বলেন, 'উত্তম কুমার একজন বহুমুখী প্রতিবার অধিকারী ছিলেন। যিনি লক্ষ লক্ষ মানুষের মন জয় করেছিলেন। যে কোনও চরিত্রকে ফুটিয়ে তুলতে প্রবল পরিশ্রম করতে পারতেন।নিজের কাজের প্রতি দায়বদ্ধ ছিলেন নিজের লক্ষ্য সম্পর্কে জানতেন। এই জন্যই তিনি সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছতে পেরেছিলেন। এদিন মোদির 'মন কি বাত' শুনলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অনুষ্ঠান শেষে দীর্ঘ পোস্টও করেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। 

প্রধানমন্ত্রীর 'মন কি বাত' শেষে একটি ছবি শেয়ার করেন শুভেন্দু, যেখানে দেখা যায় ল্যাপটপে মোদির অনুষ্ঠান শুনছেন মুখ্যমন্ত্রী। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন,'মন কি বাত'-এর মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি, খেলাধুলা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে দেশবাসীর সঙ্গে নিজের ভাবনা ও মতামত ভাগ করে নেন। পাশাপাশি দেশের অগ্রগতির লক্ষ্যে দেশবাসী, বিশেষ করে যুব সমাজকে বিভিন্ন ইতিবাচক কাজে উদ্বুদ্ধ করেন।' আজকের অনুষ্ঠানে যেভাবে উত্তম কুমারের কথা গোটা দেশের কাছে তুলে ধরেছেন মোদি তার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়,'আগামী ৩ সেপ্টেম্বর মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবার্ষিকী। আজকের 'মন কি বাত' অনুষ্ঠানে মহানায়ককে স্মরণ করে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন  প্রধানমন্ত্রী। ভারতীয় চলচ্চিত্র, বিশেষ করে বাংলা চলচ্চিত্রে উত্তমকুমারের অসামান্য অবদানকে তিনি যেভাবে দেশের সামনে তুলে ধরেছেন, তাতে মহানায়কের অগণিত অনুরাগীর সঙ্গে আমিও একজন অনুরাগী হিসেবে তথা সকল পশ্চিমবঙ্গবাসীর পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।'

এদিন সকালে নিজের অফিসে বসেই প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠান শোনেন মুখ্যমন্ত্রী। যেভাবে নেশামুক্ত ভারত গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন মোদি, তার প্রশংসা করে সকলকে এই উদ্যোগে সামিল হওয়ার কথাও বলেছেন শুভেন্দু। তিনি সোশাল মিডিয়ায় জানান যে প্রধানমন্ত্রীর এই অনুষ্ঠান দেশের সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য ইতিবাচক দিক সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ায়। আত্মনির্ভর ভারত গড়ার লক্ষ্যে সকলকে এগিয়ে আসার কথাও লেখেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।