শ্রাবণী মেলাকে কেন্দ্র করে পরিকাঠামো ও পরিষেবা ব্যবস্থার পরিকল্পনার পর এ বার কৌশিকী অমাবস্যাকে সামনে রেখে তারাপীঠের ব্যবস্থাপনা নিয়েও উদ্যোগী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Chief Minister Suvendu Adhikari)। শনিবার তারাপীঠে (Tarapith) পুজো দিয়ে বেরনোর পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কৌশিকী অমাবস্যা (Kaushiki Amavasya) উপলক্ষে শুধু দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই নয়, বিদেশ থেকেও বিপুল সংখ্যক ভক্ত ও দর্শনার্থী তারাপীঠে আসেন। অরথাত,এই কথা মাথায় রেখেই এই ঐতিহাসিক তীর্থক্ষেত্রের উন্নয়ন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনার দিকে নজর দিচ্ছে রাজ্য সরকার।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর রাজ্যের বিভিন্ন ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক স্থানে তিনি গিয়েছেন। কালীঘাট, জলপাইগুড়ির জল্পেশ মন্দির, তারকেশ্বর, রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন, ভারত সেবাশ্রম সংঘ এবং ইসকনের (ISKCON) মতো বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তাঁর যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এ বার তারাপীঠে এসে মা তারার দর্শন ও প্রণাম করার ইচ্ছেও পূরণ হল বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি বীরভূমের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিক গুরুত্বকে সামনে রেখে জেলাটিকে আরও সুসংগঠিত ভাবে গড়ে তোলার কথাও বলেন তিনি।