ইনফ্লুয়ে়ঞ্জা আক্রান্ত রোগীরা সাধারণ চিকিৎসায় সেরে ওঠেন। তবে কিছু ক্ষেত্রে উপসর্গ গুরুতর হয়ে ওঠে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক এই রোগের উপসর্গ গুলো
শ্বাসকষ্ট, হাঁফিয়ে ওঠা
অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়া
বুকে অস্বস্তি হওয়া বা ব্যথা, যন্ত্রণা অনুভব করা
বিভ্রান্তি বা অস্বাভাবিক রকমের ঝিমুনি
একটানা জ্বর
সময়ের সঙ্গে বেশি দুর্বল হয়ে পড়া
কাদের ঝুঁকি বেশি
ইনফ্লুয়েঞ্জা হতে পারে যে কারও। তবে বয়স্ক, গর্ভবতী মহিলা, হৃদরোব বা ফুসফুসের রোগা আক্রান্তদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি। যাঁদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, বিপাকীয় সমস্যা রয়েছে, তাঁদের বেশি সাবধান থাকা উচিত।
H1N1 সংক্রমণে অ্যান্টিবায়োটিক কি কার্যকর?
ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস থেকেই H1N1-এর প্রকোপ দেখা দেয়। অ্যান্টিবায়োটিক সরাসরি সংক্রমণ সারিয়ে তোলে না। সেকেন্ডারি ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণ থাকলে, তাতে উপকার মেলে। অযথা অ্যান্টিবায়োটিক না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসক খন্না। তবে এব্যাপারে অবশ্যই চিকিৎসকদের পরামর্শ দিতে হবে।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাকে গুরুত্ব দিতে হবে
জনবহুল জায়গায় অবশ্যই মাস্ক পরুন। বিশেষ করে জ্বর-সর্দি হলে, শ্বাসজনিত সমস্যা থাকলে।
হাঁচি-কাশি হলে অবশ্যই মুখ-নাক ঢাকুন। হাতে রাখুন টিস্যু, রুমাল। সরাসরি হাতের উপর না হেঁচে-কেশে, কনুই দিয়ে মুখ ঢাকতে পারেন।
সাবান দিয়ে ভাল করে হাত ধুয়ে নিন ঘন ঘন। বিশেষ করে হাঁচি-কাশির পর, বাইরে থেকে ফিরে।
হা না ধুয়ে চোখ, নাক, মুখ স্পর্শ না করাই ভাল। এতে সংক্রমণ ছড়াবে না।
অসুস্থ হলে বাড়িতে থাকুন। বিশেষ করে জ্বর, সর্দি, শ্বাসজনিত সমস্যা থাকলে।















