নিউ জলপাইগুড়ি (New Jalpaiguri) স্টেশনে ট্রেন থামতেই রেল পুলিশের নজরে পড়ে চার যাত্রী। তাঁদের গতিবিধি নিয়ে আগে থেকেই সন্দেহ ছিল পুলিশের। তল্লাশি চালিয়ে শেষ পর্যন্ত চার জনকেই আটক করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ধৃতেরা মায়ানমারের (Myanmar) বাসিন্দা। দীর্ঘদিন তাঁরা বাংলাদেশে (Bangladesh) ছিলেন বলেও জানা গিয়েছে। রেল পুলিশ সূত্রে খবর, সীমান্ত পেরিয়ে কয়েক জন ট্রেনে করে পাঞ্জাবের (Punjab) দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছেন, এই খবর আগে থেকেই পৌঁছেছিল রেল সুরক্ষা বাহিনীর কাছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে রেল পুলিশকে সতর্ক করা হয়। এরপর শুক্রবার রাতে যৌথ ভাবে নজরদারি শুরু করে আরপিএফ এবং রেল পুলিশ।
আরও পড়ুন: কলকাতা থেকে জেলায় ছুটবে ‘নমো ভারত’! RRTS-এর প্রস্তাব শমীকের
ত্রিপুরা সুন্দরী এক্সপ্রেস নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনের ৬ নম্বর প্ল্যাটফর্মে পৌঁছতেই সাধারণ কামরায় তল্লাশি শুরু হয়। সেখান থেকেই চার জনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁদের রেল পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সূত্রের দাবি, জেরায় চার জনের বক্তব্যে বেশ কিছু অসঙ্গতি ধরা পড়ে। তাঁদের কাছে বৈধ নথিপত্রও ছিল না। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন মহম্মদ সালাম (২৬), মহম্মদ সুফায়েদ (১৮), মোফিজুর রহমান (১৭) এবং জয়নুব বিবি (১৭)।
আরও পড়ুন: Asian Games: বরাদ্দ ২০ জনের ঘর, জাপানে শ্রেয়সদের জন্য বাড়তি খরচে হোটেল বুকিং বিসিসিআইয়ের
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে গিয়ে শরণার্থী শিবিরে ছিলেন তাঁরা। সেখান থেকে বেরিয়ে অবৈধ পথে ভারতে প্রবেশ করেন বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের। এরপর অসম থেকে ট্রেনে চেপে তাঁদের পাঞ্জাব যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে।
তবে ঠিক কী কারণে তাঁরা পাঞ্জাব যেতে চেয়েছিলেন, সীমান্ত পার হওয়ার ক্ষেত্রে কোনও দালাল বা আন্তর্জাতিক পাচারচক্র তাঁদের সাহায্য করেছিল কি না, এখন সেই প্রশ্নগুলিরই উত্তর খুঁজছে রেল পুলিশ। চার জনের গতিবিধি, তাঁদের ভারতে প্রবেশের পথ এবং পাঞ্জাব যাওয়ার সম্ভাব্য উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখে তদন্ত এগোচ্ছে।
















