শুরু থেকেই বিতর্ক  এশিয়ান গেমসে। অব্যবস্থা নিয়ে সরব হচ্ছেন অ্যাথলিটরা। কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে জাপানে শ্রেয়স আইয়ারদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করল বিসিসিআই।

 

এশিয়ান গেমসের আসর বসেছে জাপানের বন্দর শহর আইচি নাগোয়াতে। বন্দর শহরে ক্রুজেই হয়েছে গেমস ভিলেজ। ভারতীয় ক্রিকেট দলের  খেলোয়াড় এবং সাপোর্ট স্টাফ মিলিয়ে প্রতিটি ক্রিকেট দলের জন্য সর্বোচ্চ ২০ জনের থাকার ব্যবস্থা করেছেন   আয়োজকেরা। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট দলে সদস্য সংখ্যা এর থেকে অনেক বেশি।  কিন্তু অতিরিক্ত সদস্যদের জন্য থাকার ব্যবস্থা করা সম্ভব নয় বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছিল জাপান।

 এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় দলের আলাদা ব্যবস্থা করতে হয়েছে বিসিসিআইকে। সচিব দেবজিত সাইকিয়া  জানিয়েছেন, ‘‘বিসিসিআই ছেলেদের দলের জন্য নিজস্ব ব্যবস্থা করেছে। কারণ, গেমসের অনুমোদিত সংখ্যার চেয়ে ভারতীয় পুরুষ ক্রিকেট দলে সদস্য সংখ্যা বেশি।  দলে সাপোর্ট স্টাফের সংখ্যা বেশি হওয়ায় সমস্যা হয়েছে। দলস যাতে একসঙ্গে থাকতে পারে সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে। মেয়েদের দল রয়েছে আয়োজকদের ব্যবস্থা করা জায়গাতেই। কারণ মেয়েদের দলের মোট সদস্য সংখ্যা অনুমোদিত ২০ জনের মধ্যে রয়েছে।’’

যদিও এই সমস্যার কথা না ভেবে সোনা জয়ই যে ভারতের লক্ষ্য সে কথা স্পষ্ট করে দিয়েছেন সাইকিয়া। তাঁর কথায়, ‘এশিয়ান গেমসের গুরুত্ব আমরা জানি। আমরা সোনার পদক ছাড়া কিছু ভাবছি না। এটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।সকলে জানে ভারত একসঙ্গে তিনটে সমান শক্তিশালী দল মাঠে নামাতে পারে। ছোটখাটো সমস্যা নিয়ে আমরা ভাবছি না। ছেলে এবং মেয়েদের মধ্যে কোনও বৈষম্য নেই বলেই বোর্ড সচিব জানিয়েছেন।

শুরু থেকেই নানা সংকটে জর্জরিত এবারের এশিয়ান গেমস। এর আগে ভারতের শুটিং দল পৌঁছনোর পর ঘর না পেয়ে সারা রাত তাদের লবির সোফায় শুয়ে কাটাতে হয়েছিল। 

অ্যাথলিটদেরই ঘুমাতে হচ্ছে অভিবাসন দফতরের সোফায়। হোটেল পেতে রাত আড়াইটে বেজে যাচ্ছে। এশিয়ান গেমসে অ্যাথলিটদের এহেন দুর্দশা কাটাতে উদ্যোগ নিল মোদি সরকার। আয়োজকদের জন্য দেশের ক্রীড়াবিদদের যেন ভোগান্তি না হয়, তার জন্য একগুচ্ছ পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রক। 

নাগোয়ায় বসবাসকারী প্রায় ২,০০০ ভারতীয়কে প্রস্তুত থাকতে বলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রয়োজনে তাঁদের বাড়িতেই অস্থায়ী ভাবে রাখা হতে পারে ভারতীয় অ্যাথলিটদের। প্রয়োজনে বাইরের হোটেলও বুকিং করতে পারে সরকার।