শুরু থেকেই বিতর্ক এশিয়ান গেমসে। অব্যবস্থা নিয়ে সরব হচ্ছেন অ্যাথলিটরা। গেমসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই আয়োজকদের ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠল। শুক্রবার অংশগ্রহণকারী দেশগুলির ঐতিহ্যবাহী পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের পর শুরু হলেও মাঝপথেই তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
ভারতের ডেপুটি সেফ দ্য মিশন শরৎ কমল এবং অঞ্জলি ভাগবত অনুষ্ঠানের মঞ্চের দিকে এগিয়েও গেলেও আয়োজকদের ঘোষণায় ফিরে আসতে বাধ্য হন। স্থানীয় আয়োজকরা অনুষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা করতেই তাঁদের অপেক্ষার জায়গায় ফিরে যান। ভারতীয় দলের কাছে এই বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও তথ্য নেই। ভারতের সেফ দ্য মিশন সহদেব যাদব জানিয়েছেন, , প্রধান অতিথি তখনও অনুষ্ঠানে এসে পৌঁছননি এবং সেটিই হয়তো দেরির কারণ হতে পারে।
এবার এশিয়ান গেমসের আসর বসেছে জাপানের আইচি-নাগোয়ায়। কিন্তু আয়োজকদের ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পরিকাঠামোগত ত্রুটি এবং চরম অপেশাদারিত্বের শিকার হলেন ভারতের জিমন্যাস্ট প্রণতি নায়েক। জাপানের শহরে নাগোয়ায় পৌঁছানোর পর আয়োজকদের অদ্ভুত এক নির্দেশে হতবাক হয়ে যান বাংলার এই অ্যাথলিট ও তাঁর সাপোর্ট স্টাফরা। ক্রুজে প্রণতি এবং তাঁর পুরুষ কোচ অশোক মিশ্রার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ক্রুজের একটিমাত্র ঘর। বন্দর শহরে ক্রুজেই হয়েছে গেমস ভিলেজ।
শুরু থেকেই নানা সংকটে জর্জরিত এবারের এশিয়ান গেমস। এর আগে ভারতের শুটিং দল পৌঁছনোর পর ঘর না পেয়ে সারা রাত তাদের লবির সোফায় শুয়ে কাটাতে হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নিচ্ছে ভারত। নাগোয়ায় বসবাসকারী প্রায় ২,০০০ ভারতীয়কে প্রস্তুত থাকতে বলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রয়োজনে তাঁদের বাড়িতেই অস্থায়ী ভাবে রাখা হতে পারে ভারতীয় অ্যাথলিটদের। প্রয়োজনে বাইরের হোটেলও বুকিং করতে পারে সরকার।
এদিকে, ২০৩৮ সালের এশিয়ান গেমস আয়োজনের জন্য বিড করেছে ভারত। একাধিক প্রক্রিয়া শেষে ভারতের আবেদন চূড়ান্ত পর্য়ায়ে পৌছেছে। ভারত, ফিলিপিন্স এবং বাকি চারটে দেশ বিড মান্য দিয়েছে ওসিএ। তবে আবেদন পেলেও তাঁরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনই জানাচ্ছেন না। OCA-র ডিরেক্টর জেনারেল হুসেন আলমুসাল্লাম বলেন, ‘এখনও হাতে ১২ বছর রয়েছে। আমাদের ক্যালেন্ডার এখন ঠাসা। এক্সিকিউটিভ বোর্ড আগে বৈঠক করবে, তার পর ইভলিউশন কমিটি সব বিডিং খতিয়ে দেখবে। ২০২৭ সালে আমরা পুরো বিষয়টা নিয়ে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দেব।’
















