একুশে জুলাইয়ের শহিদ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন তৃণমূল সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। তিনিই শহিদ রঞ্জিত দাসের স্ত্রী ও বড় ছেলেকে চাকরি দিয়েছিলেন। এই পরিবারে পাশে ছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সোমবার, বিধানসভা থেকে ঋতব্রত শিবিরের মিথ্যাচারের জবাব দেন বেলেঘাটার তৃণমূল (TMC) বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। রঞ্জিত দাসের ছোট ছেলেও এখন বড় হয়ে গিয়েছেন। তাঁকেই ভুল বোঝানো হয়েছে বলে অভিযোগ কুণাল।
তৃণমূল সরকারের আমলে তদন্ত কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২১ জুলাই শহিদ পরিবারগুলিকে এককালীন ২৫ লক্ষ টাকা এবং পরিবারের একজন সদস্যকে চাকরি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, শহিদ রঞ্জিত দাসের ছেলে রজতের চাকরি পাওয়া পরে সেটা চলে যায়। এই বিষয় নিয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান ঋতব্রত।
এর পরে এই বিষয় নিয়ে ঋতব্রত শিবিরকে তীব্র আক্রমণ করেন কুণাল। ঋত শিবিরের মিথ্যাচারের পর্দা ফাঁস করে কুণাল বলেন, শহিদের পূর্ণ সম্মান শ্রদ্ধা জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাঁর কথা বলে হয়েছে, তিনি শহিদের ছোট ছেলে। শহিদের স্ত্রীকে সেই সময়ই রেল দফতরে চাকরি দেন মমতা। তাঁর বড় ছেলেকেও চাকরি দেওয়া হয়। তিনি বোধহয় নবান্নেই চাকরি করছেন। যিনি স্পিকারপোষিত বিরোধী দলনেতার কাছে গিয়েছেন, তিনি ছোট পুত্র। এর পরেই তীব্র আক্রমণ করে কুণাল বলেন, যাঁরা অভিযোগ করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শহিদ পরিবারের পাশে দাঁড়াননি, তাঁরা মিথ্যাচার করছেন। ভুল বুঝিয়ে ছোটছেলেকে নিয়ে গিয়ে ছবি তোলানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তৃণমূল বিধায়ক।
















