বারুইপুরের ঘটনা নিয়ে তোলাপাড় রাজ্য। তারইমধ্যে অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলকে এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটায় নতুন দিকে বিষয়টি মোড় নিয়েছে। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মৃতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করার নির্ধারিত সূচি রয়েছে। ঘটনার কয়েকদিন কেটে গেলেও বারুইপুর কিন্তু এখনও থমথমে। এলাকায় ক্ষোভ এখনও রয়েছে। বিশেষ করে বিজেপি নেতা শান্তনু মণ্ডল।

 

বারুইপুরের ঘটনায় সোশাল মিডিয়ায় উঠে এসেছে শান্তনু মণ্ডল নামে এক বিজেপি নেতার কথা। অনেকে অভিযোগ করছেন, তিনি নাকি এক অভিযুক্তকে ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।ক্যামেরার সামনে এলাকাবাসীরাও ক্ষোভ উগরে দি্চ্ছেন শান্তুনুর নামে।

 বিজেপি নেতা শান্তনু মণ্ডল নাকি এক অভিযুক্তকে ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।  ইতিমধ্য়ে এলাকারবাসীর একাধিক ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এমনকি সংবাদ মাধ্যমের সামনেও এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন তাঁরা শান্তনুর শাস্তি চান। কেন অভিযুক্তকে আড়াল  করার চেষ্টা করছেন শান্তনু সেই নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন এলাকাবাসী।

 স্থানীয় এক বাসিন্দা সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন, তাঁরা বুলে(ডাক নাম) নামে একজনকে প্রথমে সিসিটিভিতে দেখেন, তাঁর বাড়িতে পুলিশ নিয়ে যান, প্রথমে তাঁর স্ত্রী ও মা ঘরে থাকার বিষয়টি অস্বীকার করলে পরে বাড়ি থেকে পাওয়া যায়। তাঁকে জেরা করেই পুকুরটিতে পৌছানো যায়। কিন্তু শান্তনু এসেই বুলেকে বাঁচিয়ে দেন।

 

আরও এক অভিযুক্ত আনন্দ সর্দারের মা জানিয়েছেন, আমার ছেলে দোষী হলে তার শাস্তি হোক, একইসঙ্গে তদন্ত হোক কীভাবে পুলিশের কাছ থেকে বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে তাঁদের দিকে তাক করল, এটার তদন্ত হোক। 

 

এদিকে, বারুইপুর কাণ্ডের তদন্ত শুরু করল সিআইডি।  শুক্রবার অকুস্থলে যান ফরেনসিক আধিকারিকেরা। ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার   তদন্তকারী অফিসার জয়ন্ত পোদ্দারও সঙ্গে ছিলেন।