একুশে জুলাই মানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) কাছে রক্তক্ষয়ী অতীতের স্মৃতিচারণার দিন। আজ ক্ষমতা নেই, কিন্তু তাই বলে তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমোর এক ডাকে হাজার হাজার মানুষের জনসমাগমের চেনা ছবিটা তৈরি হতে এতটুকু দেরি হয়নি। মঙ্গলবার সকালে সামাজিক মাধ্যমে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আবেগঘন পোস্ট করলেন নেত্রী। মমতা লেখেন, '১৯৯৩ সালে মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারানো শহিদদের প্রতি আমি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং জনগণের অধিকার বজায় রাখার ক্ষেত্রে ‘মা-মাটি-মানুষ’ পরিবারের প্রতিটি সদস্যের সংকল্পকে এই দিনটি আরও সুদৃঢ় করুক।তাঁদের আত্মত্যাগ আমাদের প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করে চলেছে এবং তাঁদের আদর্শ ও স্মৃতি চিরকাল আমাদের আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকবে।'
পালাবদলের বাংলায় আজ শহর কলকাতায় তিনটি জায়গায় শহিদ দিবসের সমাবেশ হচ্ছে। কিন্তু বাংলার মানুষের আবেগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে। তাই তারামণ্ডলের সামনে শহীদ স্মরণে কর্মী সমর্থকদের উল্লেখযোগ্য ভিড়। সোমবার রাতে সভাস্থল ভাঙচুরের চেষ্টা করা হয়।। সারারাত পাহারা দিয়েছেন স্বয়ং নেত্রী। সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সাংসদ নিজেও এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে শহিদ স্মরণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। অভিষেক লেখেন, 'গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সাথে ১৯৯৩ সালের শহিদদের স্মরণ করছি।তাঁদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ আমাদের সম্মিলিত স্মৃতিতে অম্লান হয়ে আছে এবং গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার রক্ষায় অবিচল থাকতে প্রজন্মকে প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করে চলেছে। তাঁদের সেই আদর্শ ও চেতনা আমাদের লক্ষ্য, নীতি এবং জনগণের সেবায় আমাদের অবিচল অঙ্গীকারের মধ্যেই বেঁচে আছে।'
















