ভোটে কারচুপি করে ক্ষমতায় এসে একের পর এক সামাজিক প্রকল্প বন্ধ করে দিচ্ছে। নিজেদের দেওয়া গালভরা প্রতিশ্রুতিও পূরণেও ব্যর্থ সরকার।শুক্রবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একহাত নিলেন বিজেপিকে।
তিনি বলেন, এটা একটা অপদার্থ সরকার। কোনও ওয়ার্ডে বিজেপির কোনও ওয়ার্কার নেই। এরা সকলেই লুম্পেন। যারা জোর করে ভোটে জিতেছে তাদের ওপরওয়ালা শাস্তি দেবে। শাস্তি দেবে মানুষ। কারণ মানুষকে পরিষেবা দিতে এই সরকার ব্যর্থ।
এদিন বিজেপি সরকারকে ধিক্কার দিয়ে নেত্রী বলেন, আপনাদের লজ্জা থাকা উচিত। আমরা ১৫ বছর সরকার চালিয়েছি এই পুলিশকে দিয়ে। আমাদের কেন্দ্রীয় বাহিনী আনার প্রয়োজন পড়েনি। এই সরকার এতটাই অমানবিক যে কর্মীদের দিয়ে দ্বিগুণেরও বেশি কাজ করিয়ে নিচ্ছে। আগে ১০০ দিনের কাজে ছয় ঘণ্টা কাজ করতে হত। কিন্তু এখন তারা সেই কাজ ১৪ ঘণ্টা করাচ্ছে! ১৬ হাজার এসএসকে-এমএসকের বেতন বন্ধ করে দিয়েছে। সাধারণ মানুষের মুখের গ্রাস কাড়ছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়াচ্ছে।
নেত্রী বলেন, ফুটপাত নোংরা আছে, খালি করুন অসুবিধে নেই। কিন্তু পুনর্বাসনের ব্যবস্থা এবং বিকল্প ব্যবস্থা করে দিন। যদি এই ব্যবস্থা করতে না পারেন তাহলে হকারদের প্রত্যেকটা পরিবারকে মাসে ২৫ হাজার টাকা করে অনুদান দিন, যতদিন না ব্যবস্থা করতে পারছেন। টোটো-অটোচালকেরা জীবিকা কেড়ে নিচ্ছে। আবার বাইক চালালেও ট্যাক্স দিতে হবে। এখন বিজেপি বনাম বিজেপি লড়াই— কে কত কাটমানি খাবে? সেই নিয়ে লড়াই। তোলাবাজির সরকার। কিছু দলদাস পুষেছে। ভাবছে দলদাসরা সাপোর্ট দিচ্ছে।
















