ককরোচ জনতা পার্টির সদস্য শেখ আব্দুল হাফিজের বাবা শেখ মহম্মদ মাফিককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় তাঁর বাড়িতে গেলেন তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। শুধু তাই নয়, শেখ আব্দুল হাফিজের সঙ্গে ফোনে কথা বললেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশে থাকার আশ্বাসও দিলেন। এদিন পরিবারের পাশে দাঁড়াতে তাঁদের বাড়িতে যান তৃণমূল কংগ্রেসের বাঁকুড়া জেলার জয়েন্ট কনভেনার সুখেন বিদ।

শেখ মহম্মদ মাফিক (৫১) পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার ইন্দাস থানার কড়িশুণ্ডা গ্রামের একজন বাসিন্দা ছিলেন। দিল্লির যন্তর মন্তরে তাঁর ছেলের একটি কর্মসূচিতে যোগদানের জেরে তাঁর বাড়িতে হামলা চালানো হয়। শুধু তাই নয়, এরপর তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় এবং পরে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। স্বাভাবিকভাবেই এই মৃত্যুর নেপথ্যে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি নিয়ে রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে নিঃসন্দেহে।

এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে সিজেপি। তাঁদের দাবি, রাষ্ট্রকে ভুল ধরিয়ে দিলে তাঁদের গাত্রদাহ হয়, সেই প্রমাণ গোটা দেশ পেল। রাষ্ট্রকে প্রশ্ন করলে যদি এরকম আক্রমণ হয়, তাহলে এরকম প্রশ্ন একাধিকবার করা হবে। সত্যি কথা বলার শাস্তি। তবে সিজেপি ছাত্রদের স্বার্থে লড়ছে। শুধু জেন জি নয়, জেন আলফারাও পথে নেমেছে।