যে দায়িত্ব ছিল পুলিশের। আদালতের অনুমতি নিয়েই ক্যাথিড্রাল রোডের পাশে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠান চলছিল। কিন্তু যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ হচ্ছিল না সঠিক ভাবে। ফলে মঞ্চের পাশের রাস্তায় যানজট দেখা যায়। এই পরিস্থিতিতে দুটো বাজের আগেই উপস্থিত হন তৃণমূল (TMC) সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মঞ্চ থেকেই ট্রাফিক কন্ট্রোল করেন মমতা। মঞ্চের পাশের রাস্তার যানজট সরালেন খোদ মমতা। 

আদালতের নির্দেশ মেনেই এদিন সভা করে মমতাপন্থী তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। মঞ্চে উপস্থিত তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ দোলা সেন (Dola Sen), বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়-স ছাত্র-যুব নেতৃত্ব। বক্তা সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়য সেই সময়ই পৌঁছন তৃণমূল সভানেত্রী মমতা। সভায় তখন উপচে পড়া ভিড়। ফলে তার প্রভাব পড়ে রাস্তাতেও। থমকে যায় চলাচল। 

মঞ্চ থেকেই দৃশ্য নজরে পড়ে তৃণমূল সুপ্রিমোর। মাইক হাতে তুলে নেন তিনি। নিজেই সমানে পুলিশকে অনুরোধ করেন যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে। কিন্তু সেই কথা কাজ না হওয়ায়। দলনেত্রীর নির্দেশে রাস্তায় নেমে যান নিয়ন্ত্রণ করেন তৃণমূল বিধায়ক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ-সহ অন্যান্য নেতা-কর্মীরা। সভা বন্ধ রেখে অপেক্ষা করেন মমতা। 

তৃণমূল সুপ্রিমোর কথায়, এত ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চললে পদপিষ্ট হয়ে যাওয়ার মতো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে। এর মধ্যে একটি অ্যাম্বুল্যান্সও আটকে যায়। সব গাড়ি, অ্যাম্বুল্যান্সকে সঠিক পথ দেখিয়ে রাস্তায় খালি করিয়ে দেন খোদ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। 

এর আগে ২১ জুলাইয়ের সভা আদালতের নির্দেশ মেনে করা হলেও, পুলিশ যান নিয়ন্ত্রণ না করতে না পারায় তার দায় গিয়ে পড়ে মমতাপন্থী তৃণমূলের উপর। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এবার নিজে দাঁড়িয়ে রাস্তা খালি করে প্রশাসনের মুখ বন্ধ করে দিলেন তৃণমূল সভানেত্রী।