‘তৃণমূল মানেই মমতা’, দলবিরোধীদের কড়া ভাষায় তোপ বিধায়ক কুণালের

তৃণমূল মানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানেই তৃণমূল, এই সত্য গোটা বিশ্ব জানে। কিন্তু তা সত্ত্বেও ইদানীং কিছু নেতা রাষ্ট্রীয় শক্তির অপব্যবহারের ট্র্যাপে পড়ে দলবিরোধী সমীকরণ তৈরি করছেন বলে অভিযোগ তুললেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ।
Sponsored

দলের অন্দরে চলা সই-বিতর্ক ও দলবদলু বিধায়কদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন কুণাল ঘোষ। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যাঁরা মুখে মমতাদিকে মানার নাটক করছেন, তাঁরা বিধানসভায় দলনেত্রীর নির্দেশিত বর্ষীয়ান তথা ১০ বারের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে মানছেন না কেন? তৃণমূলের প্রতীকে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেখিয়ে জেতার এক মাস কাটতে না কাটতেই যাঁরা দিল্লির গ্যারেজে গিয়ে লবি করছেন বা স্পিকারকে চিঠি দিচ্ছেন, তাঁদের এই বেইমানি মানুষ ধরে ফেলেছেন। কুণাল ঘোষের দাবি, সন্দীপন সাহা বা প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালকে হারানোর নেপথ্যে ছিল দলনেত্রীর ছবি, কোনও ব্যক্তিমাহাত্ম্য নয়। দল ছাড়ার হিড়িক প্রসঙ্গে তিনি জানান, শেষ দিনও তাঁরা সাধারণ সম্পাদক অভিষেকের সঙ্গে মন খুলে বৈঠক করেছিলেন, অথচ গোপনে বিজেপির ট্র্যাপে পা দিলেন।
সম্প্রতি মেয়রের পদত্যাগ এবং পুরসভার প্রশাসনিক জটিলতা নিয়ে মুখ খুলে তিনি স্পষ্ট জানান, ফিরহাদ হাকিম তথা ববিদা দীর্ঘ দিন দলনেত্রীর সঙ্গী। বর্তমান পরিস্থিতিতে মেয়রকে এড়িয়ে কমিশনারকে দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে এবং কলকাতা পুরসভাকে কার্যত অকেজো করে দেওয়া হয়েছে। এই অসম্মান সহ্য না করে ববিদা নিজেই দলনেত্রীর কাছে সম্মানজনক বিদায় বা এক্সিট চেয়েছিলেন। নেত্রী প্রথমে তাঁকে অপেক্ষা করতে বললেও, নবান্নের বৈঠকের পর ওনার অনুরোধে সাড়া দিয়ে মর্জিমতো ইস্তফায় সম্মতি দিয়েছেন।
একই সঙ্গে নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে তীব্র নিশানা করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী যখন নারী সুরক্ষায় দলমত নির্বিশেষে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলছেন, তখন নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের এফআইআর থাকা বহিষ্কৃত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নেতাদের কেন মদত দেওয়া হচ্ছে, সেই প্রশ্ন তোলেন কুণাল ঘোষ। তিনি সাফ জানান, সমন পাঠানো মানেই কেউ দোষী হয়ে যায় না। বর্তমানে দলের টালমাটাল পরিস্থিতি ও সইকাণ্ডের পর রাজ্যজুড়ে কর্মীদের ক্ষোভের বন্যা বইছে এবং তাঁরা ফোনের পর ফোন করে সমস্ত পুরোনো কমিটি ভেঙে নতুন করে লড়াইয়ের ডাক দিচ্ছেন। সেলফি তোলা বা টিকিটের জন্য লবি করা লোভী নেতারা চলে গেলেও আসল কর্মীরা যে মমতাদির সঙ্গেই আছেন, তা জোর দিয়ে মনে করিয়ে দিয়েছেন বিধায়ক কুণাল ঘোষ।
আরও পড়ুন - স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে প্রাক্তন বিডিও প্রশান্ত বর্মনকে অবিলম্বে গ্রেফতারের নির্দেশ আদালতের
_
_
_
_
_
_
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

Related Articles

আমার নাম কেটেছেন কেন? আখরুজ্জামানকে কুণালের প্রশ্নে ধুন্ধুমার বিধানসভা! টেনে-হিঁচড়ে বের করা হল বেলেঘাটার বিধায়ককে
Just now

বিধানসভায় বক্তার তালিকা থেকে নাম কাটা! কণ্ঠরোধের চেষ্টার অভিযোগে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ কুণালের
Just now

ট্রলার ডুবিতে মৃত মৎস্যজীবীদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য-চাকরির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, সিকিমে টানেল বিপর্যয়েও পাশে রাজ্য
1h ago

আজ বিধানসভায় স্বরাষ্ট্রদফতরের বাজেট আলোচনা, গুন্ডা দমন আইন নিয়ে বিবৃতি দেবেন মুখ্যমন্ত্রী
4h ago

স্ত্রী-পুত্রের পর এবার মদনকে তলব ইডির
4h ago

তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় প্রাক্তন সাংসদ শুভাশিসকে তলব ইডির
5h ago
More from রাজ্য
View All →
'তোমাকে ছাড়া চিনি না’: নেত্রীকে কৃতজ্ঞতা! তর্পণের প্রকৃত মঞ্চেই অবস্থান শহিদ পরিবারের
8h ago

ফেসবুক লাইভে 'অবমাননাকর' মন্তব্য! মদন মিত্রকে ১০ কোটির নোটিশ অভিষেকের
16h ago

চলতি অর্থবর্ষেই সপ্তম বেতন কমিশন! বকেয়া ডিএ নিয়েও বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
17h ago

শিক্ষক বদলিতে ‘সুপারিশ-সংস্কৃতি’ শেষ, চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের সাম্মানিক বৃদ্ধির আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর
17h ago

গ্রেফতারির পর আদালত থেকে জামিন পেলেন অসিত মজুমদার
19h ago
