আগামী ৬ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রাম (Nandigram) ও রেজিনগর (Rejinagar) বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন। সেই ভোটের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচলিত ‘জোড়া ঘাসফুল’ প্রতীক নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন পরিস্থিতি। নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তে ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং পুরনো প্রতীক ব্যবহারে আপাতত নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। পরিবর্তে তৃণমূল কংগ্রেসকে দেওয়া হয়েছে ‘মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘ফুটবল খেলোয়াড়’ প্রতীক। এরপরেই প্রার্থীদের অনুগামীদের মধ্যে শুরু হয়েছে নির্বাচনকে ঘিরে তৎপরতা। একটি ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, দেওয়ালে নতুন নির্বাচনী প্রতীক ‘ফুটবল খেলোয়াড়’-এর ছবি আঁকা হচ্ছে। রয়েছেন প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী। শুধু তাই নয়, দলীয় কার্যালয়ের সামনে সেই প্রতীক দিয়েই ভোটের প্রচার শুরু করলেন রবিউল৷ ফুটবলে কিক মেরে শুরু করলেন ভোট প্রচার।
প্রসঙ্গত, নতুন প্রতীকের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) রাজনৈতিক প্রচারের একটি পরিচিত অধ্যায়ের যোগ রয়েছে—‘খেলা হবে’। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই স্লোগান পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক প্রচারে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। পরে নেত্রী নিজেও প্রকাশ্যে ‘খেলা হবে’ স্লোগান ব্যবহার করেন। ২০২১ সালের আগস্ট মাসে কলকাতার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে (Kolkata's Netaji Indoor Stadium) ‘খেলা হবে’ কর্মসূচির সূচনাতেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফুটবল নিয়ে দেখা যায়। সেই অনুষ্ঠানে তিনি খেলাধুলার প্রসারের জন্য ফুটবল বিতরণের কথাও ঘোষণা করেছিলেন।
বর্তমানে এই নতুন প্রতীকটি উপনির্বাচনে কার্যকর। তবে কমিশনের এই অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তের ঘটনাকে ''রাজ্য রাজনীতিতে যা ঘটছে, তা দুর্ভাগ্যজনক, অসাংবিধানিক, গণতন্ত্র-বিরোধী এবং রাজনৈতিক ভাবে পক্ষপাতদুষ্ট'' বলে দাবি করে কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর তরফ থেকে দ্রুত শুনানির আর্জি জানান আইনজীবী কপিল সিব্বল (Lawyer Kapil Sibal)। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের (Supreme Court Chief Justice Surya Kant) বেঞ্চ এই বিষয়ে জানায়, দ্রুত শুনানির চেষ্টা করা হবে।
















