নিরাপত্তার বেষ্টনীতে এবার কালীঘাট মন্দিরেও এনএসজি। আলাদা পুলিশ ফাঁড়ি গঠনের পর কালীঘাট মন্দিরে শুরু হল এনএসজি-র মহড়া। সোমবার মন্দির চত্বর ঘিরে ফেলে এনএসজি কমান্ডোরা। ছিল কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police), এসটিএফ (STF), কলকাতা কমান্ডো ইউনিটও। ২৪ থেকে ২৭ অগাস্ট এই রেইকি চলবে। তবে, মন্দির চত্বরে কোনও নাশকতার হুমকি ছাড়া এই ধরনের এনএসজি নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এদিন শান্ত মনে পুজো দিতে কালীঘাট মন্দিরে (Kalighat Temple) গিয়েছিলেন ভক্তরা। কিন্তু হঠাৎই সেখানে হাজির ১৩ সদস্যের একটি এনএসজি দল। সঙ্গে কলকাতা পুলিশের বিশেষ দল। থার্মাল স্ক্যানার সিস্টেম বসিয়ে থ্রিডি ছবি তোলা হয়। সূত্রের খবর, সদর দফতরের নির্দেশানুসারে, কালীঘাট মন্দির চত্বরে তিনদিন ধরে এই বিশেষ নজরদারি চালাবে এনএসজি। এনএসজির গ্রুপে ছিলেন ১জন ইউনিট অফিসার, ২ জন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ডার ও ১০ কমান্ডো। এদিন মহড়ায় ছিলেন কলকাতা পুলিশ, এসটিএফ, কলকাতা কমান্ডো ইউনিটও। মন্দির কমিটির থেকে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়।

মন্দির ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে আগেই আলাদা পুলিশ ফাঁড়ি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই প্রথম কোনও ধর্মীয় স্থানের জন্য আলাদা পুলিশ ফাঁড়ির ব্যবস্থা করেছে লালবাজার। দর্শনার্থীদের সুবিধা এবং মন্দিরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কথা মাথায় রেখেই  পুলিশ ফাঁড়ি তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। মন্দির চত্বরে নাশকতা এবং জঙ্গি হামলার আশঙ্কার কথাও বলা হয়েছিল বিবৃতিতে। তবে, এদিন একেবারে সশরীরে হাজির কমান্ডোরা। তাদের দেখে ভক্তদের মনে অবস্থা কী সেটা নিয়েই চর্চা।