বারুইপুর ধর্ষণ কাণ্ডে (Baruipur Rape Case) মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের (Prabhash Mondal) বিকৃত লালসার শিকার হয়েই নাবালিকার মর্মান্তিক পরিণতি, এমনটাই দাবি পুলিশের। ক্লাস সিক্সের পড়ুয়াকে যৌন নির্যাতনের জন্যই বেশ কিছুদিন ধরে তাঁর সঙ্গে আলাপ জমানোর চেষ্টা করছিলেন প্রভাস, তদন্তে এমন তথ্যই উঠে এসেছে পুলিশের হাতে।
এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে প্রভাসের। গত ৫ জুলাই বারুইপুরে নারকীয় ধর্ষণের ঘটনায় মৃত কিশোরীর দেহ উদ্ধারের পর তদন্তে নেমে প্রথমে প্রভাস ও তারপর অভিযুক্ত আনন্দ, দিবাকর ও কবিরকে গ্রেফতার করা হয়। তিন অভিযুক্তই বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। দফায় দফায় তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনাক্রম বোঝার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। প্রয়োজনে এদের একসঙ্গে বা আলাদা আলাদা ভাবে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশের দাবি, ধর্ষণের মূল পরিকল্পনা ছিল প্রভাসের। সে বাকিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তার যৌন বিকৃতি ও পাশবিক অত্যাচারের ফলেই এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করার পর গত ৮ জুলাই ভোরে এনকাউন্টারে (Encounter) গুলিবিদ্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়। ইতিমধ্যেই এনকাউন্টার তদন্তের দায়িত্ব গেছে সিআইডির হাতে। আজ সেই ঘটনাস্থলে যেতে পারেন দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসাররা। তবে সবটাই নির্ভর করছে আবহাওয়ার উপর। কারণ যে জায়গায় প্রবাসে এনকাউন্টার হয় সেই জায়গাটা প্রবল বৃষ্টির কারণে পুরোপুরি জলমগ্ন হয়ে থাকার কারণে আজ নমুনা সংগ্রহ আদৌ সম্ভব হবে কিনা তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।
















