মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ মেনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল (দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল-রা) সোমবার বারুইপুরে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পরের দিনই মঙ্গলবার ঘাসফুলের টিকিটে নির্বাচনে জেতা 'বিদ্রোহী' বিধায়ক-সাংসদরা খবরের শিরোনামে থাকতে ছুটলেন বারুইপুরে। কিন্তু এলাকায় ঢুকতে পারলেন কি? প্রাথমিকভাবে জানা যায়, পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ানোর পর শুধুমাত্র যাদবপুরের সাংসদ হিসেবে সেখানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে সায়নী ঘোষকে (Sayoni Ghosh)।
নাবালিকার ধর্ষণ খুনের ঘটনায় গত রবিবার থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকা উত্তপ্ত।মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়েছেন বিজেপির মন্ত্রী- নেত্রীরা। রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় যাওয়ার ঠিক পরেই সেখানে পৌছলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee), চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakali Ghosh Dastidar), সায়নী ঘোষরা। প্রথমেই এলাকায় ঢোকা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে ঝামেলা বাঁধে চন্দ্রিমাদের। অনেক বাকবিতণ্ডার পর প্রথমে সাংসদ সায়নী নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলার অনুমতি পান। পরে বাকিরাও যেতে পেরেছেন বলে খবর মিলেছে। বাইরে বেরিয়ে কাকলিকে বলতে শোনা যায়, মুখ্যমন্ত্রী (CM) শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে নাকি তাঁরা সেখানে গিয়েছেন। এলাকার মানুষের প্রশ্ন ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর দুদিনের বেশি সময় পেরিয়ে গেছে। এখন কি বিজেপি এবং 'বিদ্রোহী' তৃণমূল রাজনীতি করতে আসতে চাইছে? আজ দুপুরে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।
















