জমি দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সোনা পাপ্পু (Sona Pappu)ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দারকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য জমা দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED)তরফে যে  চার্জশিটে জমা দেওয়া হয়েছে সেখানে দাবি করা হয়েছে যে বেআইনি নির্মাণ কাজ চালানোর কসবা থানার আধিকারিক, কলকাতা পুরসভার (KMC)আধিকারিক, তৃণমূল কাউন্সিলরকে ঘুষ দিয়েছেন অভিযুক্ত। নাম উঠে এসে প্রাক্তন বিধায়ক দেবাশিস কুমার এবং বর্তমান বিধায়ক জাভেদ খানের! ২০২২ সালে মোট ৩ কোটি ৪২ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে ED!তোলাবাজি, জমি দখলের মামলায় সাড়ে তিন মাসের লুকোচুরি শেষে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের হাতে গ্রেফতার হয় বিশ্বজিত পোদ্দার । ৬০ ডিনের মাথায় দ্বিতীয় চার্জশিট জমা দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। 

ইডির তরফে দাবি করা হয়েছে,সোনা পাপ্পু তাঁর সিন্ডিকেটরাজ চালানোর জন্য তিনি পুলিশকে ১ কোটি ৪৬ লক্ষ, তৃণমূল কাউন্সিলরকে দেওয়া হয়েছে ১ কোটি ১১ লক্ষ ৫০ হাজার, কলকাতা পুরসভা আধিকারিকদের দেওয়া হয়েছে ২ লক্ষ ২৭ হাজার টাকা দিয়েছে বলে অভিযোগ। এখানেই শেষ নয়, পার্টিফান্ড এবং পুজোর ডোনেশন বাবদ লক্ষ লক্ষ টাকাও দেওয়া হয়েছে।এর আগে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট সূত্রে দাবি করা হয়েছিল যে ত্রিভুজ সিন্ডিকেট মডেলে পাপ্পু এবং তাঁর সহযোগীরা খুঁজে খুঁজে প্রবাসী, প্রবীণ নাগরিকদের টার্গেট করতেন। প্রথমে জমি বিক্রেতাদের সব শর্ত মেনে চুক্তি করত কামদারের মতো ব্যবসায়ীরা। কিন্তু তারপর শর্ত মানা হত না এবং টাকাও ফেরত দেওয়া হত না। কেউ থানায় অভিযোগ করলে পুলিশকর্তা শান্তনু সিনহা বিশ্বাস (Shantanu Sinha Biswas)হুমকি- ধমক দিতেন। এভাবেই চলত দুর্নীতির ব্যবসা। ইতিমধ্যেই তিনজনই ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছে।