এবার সুপ্রিম কোর্টে মহা ফাঁপড়ে তৃণমূলের দলবদলু ২০ সাংসদ। কেন তাঁরা দলবদল করেছেন, তা কতখানি আইনি জানতে চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের নোটিশ যাচ্ছে এই সাংসদদের কাছে। দু' সপ্তাহের মধ্যে তাদের জবাব দিতে হবে।
তৃণমুলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা মামলাতেই ছিল মঙ্গলবারের শুনানি। অভিষেকের আবেদন ছিল মূলত স্পিকারের বিরুদ্ধে। তাঁর অভিযোগ, এরা বেআইনিভাবে দলবদল করেছে। স্পিকার ততোধিক বেআইনিভাবে স্বীকৃতি দিয়েছেন দলকে। লোকসভায় আলাদা আসন দিয়েছেন, ঘরও দিয়েছেন। অবিলম্বে এদের সদস্য পদ বাতিল করা হোক।
তৃণমূলের পক্ষে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আইনজীবী ছিলেন। তিনি বলেন, বিচারপতিদের কার্যত কিছু বলতেই হয়নি। তাঁরা নিজেরাই বলেন, আগে নোটিশ ইস্যু করা হোক। বিচারপতিরা স্পিকারকেও নোটিশ ইস্যু করার কথাও ভেবেছিলেন। অবস্থা গোলমাল ঠেকছে বুঝে স্পিকারের পক্ষে আইনজীবী তুষার মেহতা জানান, তাঁরা স্পিকারের পক্ষে অ্যাপিয়ার করছেন।
নোটিশ ইস্যু করায় ফাঁপড়ে দলবদলু ২০ সাংসদ। সুপ্রিম সিদ্ধান্ত জানার পর তাঁরা নিজেরাই আলোচনা শুরু করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, এক, মামলা তাদের হয়ে বিজেপি দেখবে, নাকি প্রত্যেক সাংসদ আলাদাভাবে আইনজীবী মারফত শুনানিতে অংশ নেবেন?
দুই, আলাদাভাবে কোর্টে যাওয়া মানে প্রত্যেকের আলাদা বয়ান হতে পারে। সেক্ষেত্রে বিচারপতির কাছে ভুল বার্তা যাবে।
তিন, বিজেপি দল ভাঙানোর সময় জামাই আদর করে বের করে এনেছে। এবার তাদের দায়িত্ব আমাদের আইনি প্রোটেকশন বা নিরাপত্তা দেওয়া।
চার, দলবদলুদের প্রাথমিক আলোচনায় সবচেয়ে বেশি কথা হয়েছে যে বিষয়টি নিয়ে, তা হল সুপ্রিম কোর্টে মামলা চালানোর খরচ। এই বিশাল খরচা কে দেবে? এই চিন্তায় রাতের ঘুম ছুটেছে ২০ সাংসদের।















