শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyama Prasad Mukherjee ) জন্মজয়ন্তীতে তাঁর অবদানকে স্মরণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী(Suvendu Adhikary)।সোমবার সকাল থেকেই পালিত হচ্ছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্ম জয়ন্তী। প্রধানমন্ত্রী মোদি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে শ্যামাপ্রসাদকে(Shyama Prasad Mukherjee) শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
মোদি সমাজ মাধ্যমে লিখেছেন, “দেশ গড়ার কারিগর শ্যামাপ্রসাদ, দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় আত্মত্যাগ করেছেন শ্যামাপ্রসাদ, তাঁর আত্মত্যাগ প্রতিটি প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে । ভারতবর্ষের ঐক্য, অখণ্ডতা এবং আত্মমর্যাদা রক্ষায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মবলিদান চিরকাল দেশের প্রতিটি প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। যাঁরা গৌরবে ভূষিত এবং কীর্তিতে অমর তাঁদের দেহের ক্ষয় হয়। কাজ এবং আদর্শ যুগ যুগ মানুষের মধ্যে বেঁচে থাকে।”

সোমবার সকাল থেকে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রথমে রেড রোডে শ্যামাপ্রসাদের মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করলেন রাজ্যপাল আর এন রবি, অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী তাপস রায়, মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়রাসহ একাধিক মন্ত্রীরা।এরপর বিজেপির সদর দফতরে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে শ্যামাপ্রসাদের জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
মুরলীধর সেন স্ট্রিট থেকে শুভেন্দু অধিকারীর গন্তব্য ছিল ভবানীপুরের মিত্র ইনস্টিটিউশন। সেখানে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ১২৫তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠাননে অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই স্কুলের প্রাক্তনী ছিলেন শ্যামাপ্রসাদ।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গের পাঠ্যপুস্তকে শ্যামাপ্রসাদের জীবন এবং কার্যক্রম থাকবে। তাঁর স্বদেশপ্রেম, রাজ্য গঠনে ভূমিকা বিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালেয়র সিলেবাসে মুদ্রিত এবং চর্চিত হওয়া প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।
শ্যামাপ্রসাদ স্মরণ অনুষ্ঠানে ভবানীপুরের মিত্র ইনস্টিটিউশনের আধুনিকীকরণ ও উন্নয়নের বার্তাও দেব মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি অত্যন্ত গর্বিত আগামী দিনে এই বিদ্যালয়ের শ্রীবৃদ্ধির দায়িত্ব আমার উপর বর্তেছে ভবানীপুরের বিধায়ক হিসাবে। এই বিদ্যালেয় উন্নয়নের জন্য আমি বিধায়ক তহবিল থেকে ২৫ লক্ষ টাকা দেব। এই বিদ্যালয়ের জায়গা খুব সীমিত। তারইমধ্যে স্কুলের অবয়ব অপরিবর্তিত রেখে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন এবং আধুনিকীকরণ হবে। ২৫ তম বর্ষে আমার কাজ এই বিদ্যালয়কে কীভাবে সাজিয়ে তোলা যায়। বিগত দিনের যাঁরা সংসদ সদস্য, বিধায়ক ছিলেন। তাঁরা কিছুই করেননি। অটল বিহারী বাজপেয়ীর নামাক্তিক যে স্কিম রয়েছে, তার অন্তর্ভুক্ত করার জন্য উচ্চ শিক্ষা সচিবকে বলব।
















