তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই টিকিট পেয়েছেন সুখেন্দু শেখর রায়, সুস্মিতা দেব, প্রকাশ চিক বারাইক। রাজ্যসভার উপ নির্বাচনে বিজেপির আদি বা নব্য কোনও নেতা নেত্রীই টিকিট পেলেন না, তৃণমূলত্যাগীদেরই প্রাধান্য দিল পদ্ম শিবির। রাজ্যসভার উপ নির্বাচনে প্রার্থীপদ নিয়ে বিজেপির দৈন্যদশাকে কটাক্ষ তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের(TMC MLA Kunal Ghosh)।
‘এক টানেতে যেমন-তেমন দু-টানেতে রুগী, তিন টানেতে ঘুরে-ঘুরে আমরা দলত্যাগী’! বেহায়া নির্লজ্জ দু-কান-কাটা দলবদলু তৎকাল বিজেপির তিন রাজ্যসভার প্রার্থী সম্পর্কে এই তীব্র কটাক্ষ তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের।
শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বেলেঘাটার বিধায়ক বলেন, "তৃণমূলের খেয়ে-পরে এত বছর রাজ্যসভার সাংসদ থেকে এখন ভালো তৃণমূল হয়ে বিজেপির দয়ায় ফের রাজ্যসভায়! আর এখন তৃণমূল খারাপ! এই প্রশ্ন তুলে কুণালের তোপ— সবই তো তৃণমূল থেকে ভাঙাতে হচ্ছে! এরা প্রথম দলের প্রতীকে জিতে দ্বিতীয় দলের সঙ্গে কথা বলে তৃতীয় দলে যাচ্ছে! রাজ্যসভায় এই মডেল হলে, লোকসভা-বিধানসভায় হবে না কেন! কারণ, সেখানে আর দ্বিতীয়বার নির্বাচনে দাঁড়িয়ে জিতে আসতে হবে না। রাজনৈতিক কেরিয়ার খতম। মুখ্যমন্ত্রী-সাংসদ-নেতা-নেত্রী সবই তৃণমূলের দলবদলু। তা হলে বিজেপির নিজস্ব কী আছে? তার মানে ওদের ভালো কাজের লোক নেই! বিজেপি তো এখন তৃণমূলের আলুমনি অ্যাসোসিয়েশনে পরিণত হয়েছে। আর বিজেপির আদি নেতা-কর্মীদের দুর্ভাগ্য এতদিন যাঁদের সমালোচনা করেছেন-গালাগাল দিয়েছেন-ডিম ছুঁড়েছেন এখন তাঁদেরকেই নেতা বলে মেনে তাঁদের নামে জয়ধ্বনি দিতে হবে।"
বঙ্গ-বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বকে কটাক্ষ করে কুণাল বলেন, "কত বড় বড় কথা! দরজা খুলবে না। আর এখন খুলেছি দুয়ার এসেছে জ্যোতির্ময়। এইসব বেইমানদের থেকে সাবধান, এখন তৃণমূল খারাপ বলে বিজেপিতে গেছে। আবার কোনদিন বিজেপি খারাপ বলে অন্য কোথাও চলে যাবে তার ঠিক নেই! বিজেপি কর্মীদের প্রতি সতর্কবাণী তাঁর। বিজেপির কী দৈন্যদশা যে তৃণমূল-সিপিএম সব দল থেকে লোক নিতে হচ্ছে!"
















