গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে ১৫ জন মৎস্যজীবী-সহ একটি ট্রলার নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের শঙ্করপুর উপকূল এলাকায়। উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন ট্রলার মালিক ও নিখোঁজ মৎস্যজীবীদের পরিবারের সদস্যরা। ইতিমধ্যেই ভারতীয় উপকূল রক্ষীবাহিনী, উপকূল থানার পুলিশ এবং মৎস্য দফতর যৌথভাবে অনুসন্ধান শুরু করেছে। 

নিখোঁজ ট্রলারটির নাম ‘মা কালী’। মালিক রামনগর থানার দেউলিবাংলা এলাকার অভিজিৎ বেরা। ২ জুলাই শঙ্করপুর মৎস্যবন্দর থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্রে রওনা হয় ট্রলারটি। এতদিনে ফিরে আসার কথা থাকলেও সেটি বন্দরে ফেরেনি। ট্রলারে থাকা ১৫ জন মৎস্যজীবীর কারও সঙ্গেই যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। মোবাইল এবং অন্যান্য যোগাযোগ ব্যবস্থাও সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে। ট্রলারটির সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ায় প্রথমে সহকর্মী মৎস্যজীবীরা বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে ট্রলার মালিক এবং শঙ্করপুর ফিশারম্যান অ্যান্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনকে জানানো হয়। এরপর প্রশাসনের দ্বারস্থ হন তাঁরা। অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক স্বদেশরঞ্জন নায়ক জানান, বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে মৎস্য দফতর, স্থানীয় বিধায়ক এবং মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের আবেদন জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতীয় উপকূল রক্ষীবাহিনীর মাধ্যমে ব্যাপক অনুসন্ধানেরও আবেদন করা হয়েছে, যাতে দ্রুত ট্রলারটির অবস্থান শনাক্ত করা যায়।