রাস্তায় এক মহিলার স্কুটিতে সজোরে ধাক্কা উত্তরপাড়ার (Uttarpara) বিজেপি বিধায়ক (BJP MLA) দীপাঞ্জন চক্রবর্তীর (Dipanjan Chakraborty)। এমএলএ-লেখা গাড়িতেই এই কাণ্ড ঘটান বিজেপি বিধায়ক। তিনি প্রাক্তন এনএসজি কর্তাও। তাঁর গাড়ির ধাক্কায় স্কুটি থেকে ছিটকে পড়েন ওই মহিলা। মাথা ফেটে গল গল করে রক্ত বের হতে থাকে। পরবর্তীতে মহিলার কপালে আটটি সেলাই পড়ে। মহিলাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া তো কোন ছাড়, গাড়ি নিয়ে পালালেন বিধায়ক। টোটোয় চেপে কোনওমতে হাসপাতালে পৌঁছন তিনি। জখম মহিলার নাম সুপ্রা জানা (৪৭)।
আরও পড়ুন: হাওড়ায় রাতভোর বুলডোজার, ভাঙা হল প্রাক্তন বিধায়কের কার্যালয়
সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটনার সম্পূর্ণ ভিডিও প্রকাশ করে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। গুরুতর জখম অবস্থায় এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই মহিলা। এই ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে চাইছে বর্তমান সরকার।
তৃণমূলের দাবি, কাউকে গাড়ি চাপা দিয়ে গুরুতর শারীরিক জখম করা এবং একজন মহিলাকে হাসপাতালে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়াকে শুধু এই কারণে "কোনও বড় ঘটনাই নয়” বলে উড়িয়ে দেওয়া যাবে না অভিযুক্ত শাসক দলের অন্তর্ভুক্ত বলে। আমাদের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) কি এর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেবেন? নাকি অভিযুক্ত একজন বিজেপি বিধায়ক বলে ধামাচাপা দেওয়া হবে? পুলিশ কী করছে? তারা কি নিরপেক্ষ তদন্ত করে এর জন্য যে বা যারা দায়ী তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করবে, নাকি রাজনৈতিক চাপ আবারও সবকিছুর অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে?
তৃণমূল ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়ের দাবি জানিয়ে বলে, এক মহিলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। একজন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে তাঁর আঘাতের কারণ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পবিত্রতার আড়ম্বর দেখানো মুখ্যমন্ত্রীর ন্যূনতম যা করা উচিত, তা হল একটি সঠিক তদন্ত, জবাবদিহি এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
















